Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Lok Sabha 2024

প্রায় এক লক্ষ সভা-মিছিল! ভোটপ্রচারে দেশের সব রাজ্যের থেকে এগিয়ে বাংলা

ডান থেকে বাম, শাসক থেকে বিরোধী, প্রচারে পিছিয়ে নেই কোনও দলই। বিজেপির তরফে যেমন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রচারে এসেছেন, তেমনি এসেছেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডারা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের প্রচারে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০২৪, ১৪:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০২৪, ১৪:০০

options
link
প্রায় এক লক্ষ সভা-মিছিল! ভোটপ্রচারে দেশের সব রাজ্যের থেকে এগিয়ে বাংলা zoom

সুদীপ রায়চৌধুরী: বাংলার ভোটে বরাবরই দেশের অন্য প্রান্তের তুলনায় মাতামাতি বেশি। জনগণের অংশগ্রহণও বেশি। এবারও ব্যতিক্রম হল না। ভোটের হারে যেমন দেশের অন্য সব রাজ্যকে পিছনে ফেলেছে বাংলা, তেমনি প্রচারের ক্ষেত্রেও এ রাজ্যই দেশের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে।

বৃহস্পতিবার বিকাল পাঁচটায় অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha 2024) প্রচার শেষ হয়েছে। শেষ দফার প্রচার শেষের পরে কমিশন জানাচ্ছে, লোকসভা ভোটের প্রচারপর্বে দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট সংক্রান্ত কর্মসূচি হয়েছে বাংলাতেই। এরাজ্যে সভা-সমিতি-মিছিল-রোড শো মিলিয়ে প্রায় ৯৫ হাজার রাজনৈতিক কর্মসূচি হয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর,বাংলায় কর্মসূচি করতে চেয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সংগঠনের তরফে ১ লক্ষ ১৯ হাজার ২৭৬ আবেদন জমা পড়ে। তার মধ্যে ৯৫ হাজার আবেদনের অনুমতি দেওয়া হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে তৃণমূল না থাকলেও অসন্তুষ্ট নয় কংগ্রেস, বোঝালেন খাড়গে]

এ তো গেল সরকারি হিসাবে। ১৬ মার্চ ভোট ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনী আচরণ বিধি কার্যকর হয়েছে। কমিশন যে হিসাবে দিয়েছে সেটা ১৬ মার্চের পর থেকে। তার আগে থেকেই রাজ্যে শুরু হয়ে গিয়েছিল ভোটপ্রচার। এমনকী খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (Narendra Modi) ভোট ঘোষণার আগে রাজ্যে এসে প্রচার করেছেন। আবার ভোট ঘোষণার পরও হয়তো ছোটখাট কিছু কর্মসূচি হয়েছে কমিশনের অজান্তে। সব মিলিয়ে বাংলায় ভোটপ্রচার সংক্রান্ত কর্মসূচি লক্ষাধিক হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। দেশের আর কোনও রাজ্যে এই ব্যাপক রাজনৈতিক কর্মসূচি হয়নি। উত্তরপ্রদেশের মতো বড় রাজ্যেও নয়।

[আরও পড়ুন: ২৩০ আসনও পাবে না বিজেপি, নয়া ভবিষ্যদ্বাণী যোগেন্দ্র যাদবের, উচ্ছ্বসিত কংগ্রেস

রাজ্যে ভোটপ্রচারে কোনও দলই পিছিয়ে ছিল না। বিজেপির তরফে যেমন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রচারে এসেছেন, তেমনি এসেছেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডারা। এসেছেন যোগী আদিত্যনাথ, হিমন্ত বিশ্বশর্মার মতো ভিনরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও। এর বাইরে শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদাররা চুটিয়ে প্রচার করেছেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের প্রচারে নেতৃত্ব দিয়েছেন। মমতার প্রচার সভা ও রোড-শোয়ের মিলিত সংখ্যা ১০৭ আর অভিষেকের ৭২। এর বাইরে তৃণমূলের তারকা প্রচারকরা প্রচার করেছেন। বামেদের প্রচারের সামনের সারিতে ছিলেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, মহম্মদ সেলিমরা। তবে সঙ্গে ছিলেন সীতারাম ইয়েচুরি, বৃন্দা কারাতের মতো কেন্দ্রীয় নেতারাও। কংগ্রেসের প্রচার মূলত করেছেন প্রার্থীরাই। অধীর চৌধুরী জেলায় জেলায় সভা করেছেন। একটা সভা করেছেন মল্লিকার্জুন খাড়গে, কংগ্রেসের মাইনোরিটি সেলের প্রধান ইমরান প্রতাপগ্রাহী একাধিক সভা করেছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.