সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর জি কর কাণ্ডে অন্তর্ঘাতের দাবি করলেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। নাম না করে সুখেন্দুশেখর রায়, শান্তনু সেনদের বিঁধলেন তিনি। বললেন, “দলে অনেক বিভীষণ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপদের সময়। দলের কিছু লোক এখন ছোবল মারছেন।”
আর জি কর ইস্যুতে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। তৃণমূল নিজের অবস্থান বুঝিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দোষীর ফাঁসির দাবিতে পথে নেমেছেন। এদিকে দলের বিরুদ্ধে গিয়ে সোশাল মিডিয়ায় নিজেদের মতামত প্রকাশ করে খানিকটা বিপাকে পড়েছেন সুখেন্দুশেখর রায়। শান্তনু সেনকে তৃণমূলের মুখপাত্র পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। যদিও দলের দাবি, এই অপসারণ আগের সিদ্ধান্ত। এসবের মাঝেই এবার আর জি কাণ্ডে মুখ খুললেন মদন মিত্র। বললেন, “রামায়ণে একটি বিভীষণ ছিল, দলে অনেক। সমস্যার সমাধান করতে চাইছেন উনি। কিন্তু আমাদের দলের কিছু লোক, যাঁরা ক্ষমতার জন্য প্রতি মুহূর্তে ঠুকরে ঠুকরে খায়, বিভীষণ, বেইমান। তাঁরা চেষ্টা করছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপদ এসেছে, এই সময় ছোবল মারা যাক।”
[আরও পড়ুন: হাসপাতালের বেওয়ারিশ লাশ বেচতেন সন্দীপ ঘোষ! বিস্ফোরক দাবি প্রাক্তন সহকর্মীর]
এক্স হ্যান্ডেলের পোস্ট মোছার প্রসঙ্গ তুলে নিশানা করলেন সুখেন্দুশেখরকে। বললেন, “দলের মধ্যে একটা শ্রেণি আছে। যারা জলে নামিব, সাঁতারও কাটিব, কিন্তু জল ছোঁব না। আমি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করব, পাবলিসিটি নেব, কিন্তু পোস্ট আবার ডিলিটও করব। আমি মদন মিত্র, আমি এসব করি না। পোস্ট করিও না, ডিলিটও করি না।” এখানেই শেষ নয়। মদন মিত্রের কথায়, “কিছু মানুষ সুবিধাবাধী। ক্ষমতাও ভোগ করছে, বিরোধীদের সঙ্গে যোগাও রাখছে। জাহাজ ডুবছে মনে হলে সবার আগে ইঁদুরগুলি লাফ দিয়ে পালায়। সেরকম কিছু ইঁদুরও আছে। তাঁরা পালাচ্ছে।” সব মিলিয়ে মদনের কথায় স্পষ্ট যে, দলের একাংশের ভূমিকায় মোটেই খুশি নন তিনি।
[আরও পড়ুন: সন্দীপের পরিবারকে নিরাপত্তা দিতে হবে, পুলিশকে নির্দেশ হাই কোর্টের]
সর্বশেষ খবর
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!