৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

হুগলির ঘটনা নিয়ে ভুল টুইটের জের, বিজেপি নেতা অমিত মালব্যকে কটাক্ষ মদনের

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: May 12, 2020 3:43 pm|    Updated: May 12, 2020 5:16 pm

An Images

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: লকডাউনের মাঝেই রবিবার সন্ধ্যায় দুটি গোষ্ঠীর সংঘর্ষের জেরে উত্তেজনা ছড়িয়ে ছিল হুগলি জেলার ভদ্রেশ্বরের তেলিনিপাড়ায় (Telinipara)। এরপর সোমবার টুইট করে এই ঘটনার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। আর তার জেরেই জড়িয়ে পড়লেন নতুন বিতর্কে। হাওড়ার টিকিয়াপাড়াকে হুগলি জেলার অংশ বলে হলেন হাসির খোরাক।

সোমবার অমিত মালব্য টুইট করেন, ‘হুগলির টিকিয়াপাড়ার ঘটনার পর গত রাতে ফের হুগলির তেলিনিপাড়ায় সংঘর্ষ হল। এই ধরনের ঘটনা ঘটল শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের  মনোভাবের কারণে। করোনা সংক্রমণ আটকানোর জন্য সরকার যে নির্দেশ দিয়েছে তারা কোনওভাবেই তা পালন করতে চাইছে না। এই বিষয়ে বোঝাতে গেলে হিংস্র হয়ে পড়ছে।’

[আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদের ৩ করোনা আক্রান্তের দিল্লি যোগ নিশ্চিত করল স্বাস্থ্য দপ্তর, নজরে অ্যাম্বুল্যান্স চালক ]

এই অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে পালটা টুইট করে অমিত মালব্যকে তীব্র কটাক্ষ করলেন তৃণমূল নেতা মদন মিত্র। তিনি টুইট করেন, ‘টিকিয়াপাড়া কখন হুগলিতে চলে গেল। তাকে শেষ পর্যন্ত তো হাওড়াতেই দেখা গিয়েছিল! এই ভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে বাংলার অনেক জায়গাই পশ্চিমবঙ্গের বাইরে চলে যাবে। অমিত মালব্য, অন্ধকারাচ্ছন্ন এই সময়ে আপনার এই ভাঁড়ামো মনটা হালকা করে দিল।’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রবিবার সন্ধ্যায় ভদ্রেশ্বরের তেলিনিপাড়ায় দু’টি গোষ্ঠীর মধ্যে তুমল গন্ডগোল হয়। বিভিন্ন বাড়ি লক্ষ্য করে ইট ও পাথর ছোঁড়া পাশাপাশি বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুরের পাশাপাশি সোনার দোকানে লুটপাট চলে বলেও অভিযোগ ঘটে। এরপর সোমবার সকাল থেকেই বিষয়টি নিয়ে শুরু বিজেপি ও তৃণমূলের তরজা। বিজেপির পক্ষ থেকে স্থানীয় এক তৃণমূল কাউন্সিলরের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি দেখতে চাইলে স্থানীয় বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে বাধা দেয় পুলিশ। এর জেরে নতুন করে উত্তেজনাও ছড়ায়। এই নিয়ে টানাপোড়েনের মাঝেই ভুল তথ্য টুইট করে বিতর্কে জড়ালেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য।

[আরও পড়ুন: ১০০০ কিমি হেঁটে বাংলা-ওড়িশা সীমান্তে অভুক্ত পরিযায়ী শ্রমিকরা, বাসের ব্যবস্থা করল রাজ্য]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement