Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Gariahat

মাসে ৮০ হাজার বেতন, রয়েছে দু’টি ফ্ল্যাট! গড়িয়াহাটে দু’কোটির গয়না চুরিতে গ্রেপ্তার পরিচারিকা

উদ্ধার হয়েছে বেশ কিছু গয়নাও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৭, ২০২৫, ১৩:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৭, ২০২৫, ১৩:৪৮

options
link
মাসে ৮০ হাজার বেতন, রয়েছে দু’টি ফ্ল্যাট! গড়িয়াহাটে দু’কোটির গয়না চুরিতে গ্রেপ্তার পরিচারিকা zoom
প্রতীকী ছবি

অর্ণব আইচ: রোজগার মাসে প্রায় ৮০ হাজার টাকা। বছরে সাড়ে ন’লাখ টাকার বিনিময়ে ফাইল করেছিল আয়কর রিটার্নও। তবু সে ছাড়তে পারেনি চুরির নেশা। গড়িয়াহাটের একটি অভিজাত পরিবারের বাড়ি থেকে দু’কোটি টাকার সোনা ও হীরের গয়না চুরি করে দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়াহাট থানার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার বাড়ির পরিচারিকা। উদ্ধার হয়েছে বেশ কিছু গয়নাও।

পরিচারিকার নাম মঞ্জু গুপ্তা। গড়িয়াহাটের ম‌্যান্ডেভিলা গার্ডেনসের এক অভিজাত পরিবারে কাজ করত সে। ওই বাড়িটিতে আরও  পাঁচজন পরিচারক ও পরিচারিকা কাজ করলেন। তবে টানা ৬ বছর ধরে কাজ করে আসা মঞ্জু পরিবারের সদস‌্যদের খুবই প্রিয় ও বিশ্বাসভাজন হয়ে ওঠে। মাসে প্রায় ৮০ হাজার টাকা বেতন পেত মঞ্জু। সেই টাকা দিয়ে দক্ষিণ কলকাতার কসবার শরৎ ঘোষ গার্ডেন রোড ও নবীনকৃষ্ণ ঘোষাল রোডে দু’টি আবাসনের তিনতলা ও চারতলায় দু’টি ফ্ল‌্যাটও কেনে ওই পরিচারিকা। ওই পরিমাণ টাকা রোজগারের কারণে আয়কর জমা দিত মঞ্জু। পুলিশের দাবি, বার্ষিক রোজগার প্রায় সাড়ে ন’লাখ টাকার বিনিময়ে সে আয়কর রিটার্নও জমা দেয়।

Advertisement

পরিবারের লোকেরা তাকে এতটাই বিশ্বাস করতেন যে, বিভিন্ন ঘরের চাবিও থাকত তার কাছে। সেই সুযোগেই গত প্রায় এক বছর ধরে অল্প অল্প করে গয়না চুরি করে সরাতে থাকে সে। সম্প্রতি পরিবারের সদস‌্যরা বাড়ির কয়েকটি আলমারির লকার খুলে দেখতে পান যে, ভিতর থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে প্রচুর সোনা ও হীরের গয়না। অভিযোগ অনুযায়ী, অন্তত ৩৬ ধরনের গয়না চুরি হয়। তার মধ্যে ছিল সোনা ও হীরের চুড়ি, বালা, হার ও অন‌্যান‌্য গয়নাও। চুরি যাওয়া এই গয়নার দাম অন্তত দু’কোটি টাকা বলে অভিযোগ পরিবারের।

চুরি ধরা পড়ার পর পরিবারের লোকেরা গড়িয়াহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তারই ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। বাড়ির ৬ জন পরিচারিকাকে পুলিশ আধিকারিকরা জেরা শুরু করেন। তদন্তে জানা যায় যে, চাবি থাকে মঞ্জুর কাছেই। সেই সূত্র ধরে তাকে জেরা করতেই সে ভেঙে পড়ে। গ্রেপ্তারির পর তার দু’টি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে কিছু গয়না উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। গত দু’টি আর্থিক বছরে তার আয়কর রিটার্নের উপরও  নজর পুলিশের। বুধবার মঞ্জুকে আলিপুর আদালতে তোলা হলে তার জামিনের আবেদন জানান আইনজীবী দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য। তাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করে বাকি গয়না উদ্ধারের চেষ্টা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.