গৌতম ব্রহ্ম: সরকারি কর্মীদের DA‘র দাবি নিয়ে আরও একবার অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর সাফ কথা, রাজ্য সরকারের চাকরি করে কেন্দ্রের হারে ডিএ চাইলে হবে না। মমতার স্পষ্ট বার্তা, “রাজ্য সরকারের নিজস্ব আর্থিক কাঠামো আছে। তেমনি কেন্দ্র সরকারের আলাদা কাঠামো আছে।” মুখ্যমন্ত্রী বুঝিয়ে দিলেন, কেন্দ্রের হারে ডিএ চাওয়াটা রাজ্য সরকারি কর্মীদের ন্যায্য অধিকার নয়।
মঙ্গলবার আলিপুর জাজেস কোর্টে এক অনুষ্ঠানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,”আমি কারও অধিকার কাড়ার পক্ষে নই। আমি অধিকার দেওয়ার পক্ষে। যেটা ন্যায্য অধিকার সেটা আমরা দেওয়ার চেষ্টা করি। কেন্দ্র সরকার আর রাজ্য সরকারের আর্থিক কাঠামো আলাদা। কেন্দ্রের কাছে রিজার্ভ ব্যাংক (Reserve Bank) আছে, আমাদের নেই। আমাদের টাকা ছাপার অধিকার নেই। আগে আমরা অনেকরকম কর তুলতে পারতাম। এখন একটাই কর জিএসটি। সব টাকা তুলে নিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্র। আমাদের এতে লোকসান হচ্ছে।”
[আরও পড়ুন: এলাহাবাদ হাই কোর্ট চত্বর থেকে সরাতে হবে মসজিদ, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের]
মুখ্যমন্ত্রীর দাবি বাম আমলের (Left Front) থেকে তাঁর আমলে রাজ্য সরকারি কর্মীদের অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে। মমতার বক্তব্য, কেন্দ্রের হারে ডিএ তো দূরের কথা, সিপিএম (CPIM) আমলে সময়মতো মাইনে বা পেনশনটুকুও পেতেন না সরকারি কর্মীরা। তিনি বলেন, “এত ধার করে রেখে যাওয়া সত্ত্বেও আমরা এক তারিখে মাইনে দিই। পেনশনটাও দিই। আপনারা যদি বলেন কাজ করবেন রাজ্য সরকারের আর ডিএ চাইবেন কেন্দ্রের হারে। সেটা তো হয় না। হ্যাঁ আমার যদি সামর্থ্য থাকত, তাহলে অবশ্যই যতটা সম্ভব দিয়ে দিতাম।”
[আরও পড়ুন: নাতু নাতু গানে নাচ গাভাসকরের, রিল জাদেজা-অশ্বিনের, অস্কার জয় উদযাপনে ব্যস্ত ক্রিকেটাররা]
মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, সরকার সামর্থ্য মতো সরকারি কর্মীদের খেয়াল রেখেছে। রাজ্য সরকার রাজ্যের পে কমিশনের সব সুপারিশ মেনে নিয়েছে। পে কমিশনের সব সুপারিশ মেনে নেওয়া হয়েছে। সিপিএমের আমলে ৩৩ শতাংশ দেওয়া হত DA, আমরা তো ১২৫ শতাংশ দিয়ে দিয়েছি। সরকারি কর্মীদের উদ্দেশ্যে তাঁর প্রশ্ন, “যে সরকার এত মানবিক, তার পাশে দাঁড়াবেন না?”
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন