সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সর্বভারতীয় স্তরে বিজেপিকে রুখতে ব্যর্থ কংগ্রেস। হাত শিবিরের ব্যর্থতাতেই ইন্ডিয়া জোটের পরিকল্পনা সফল হয়নি। দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের লেখা বইয়ে মমতা বলছেন, কংগ্রেসের ব্যর্থতার জন্যই বিজেপি পুনরায় কেন্দ্রে ক্ষমতা দখল করল।
মঙ্গলবার ৪৮তম কলকাতা বইমেলার উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে প্রকাশিত হয় তাঁর তিনটি বই। ‘বাংলার নির্বাচন ও আমরা’ বইয়ে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, তৃণমূলের আন্তরিক চেষ্টা সত্ত্বেও ইন্ডিয়া জোট সাফল্য পেল না। সেটার কারণ কংগ্রেসের ব্যর্থতা। মুখ্যমন্ত্রীর ভাষ্য, ‘‘আমরা আন্তরিকভাবে চেয়েছিলাম বিজেপির বিরুদ্ধে সর্বভারতীয় একটা শক্তিশালী জোট হোক। যাতে সব বিরোধী দল থাকবে। তারা বিজেপিকে হারাতে পারবে। আমি প্রথম থেকে বলেছিলাম, আমাদের বিকল্প মুখ, ইস্তাহার এবং কমন মিনিমাম প্রোগ্রাম থাকা উচিত। জোটের নাম ‘ইন্ডিয়া’ হোক এটা আমার প্রস্তাব ছিল। এমনকী, কংগ্রেসের মনে যাতে কোনও কুণ্ঠা না থাকে তারজন্য জোটের সভাপতির পদ তাদের দেওয়া হয়েছিল। তাও না-হল কমন মিনিমাম প্রোগ্রাম, না হল যৌথ ইস্তাহার। যে যার বিরুদ্ধে লড়াই করল। সেই ব্যর্থতার জন্যই বিজেপি গরিষ্ঠতা না পেয়েও ক্ষমতা দখল করল।’’
কংগ্রেস সম্পর্ক মমতার মুল্যায়ন, “নিজেদের শক্তি নেই। যে ক’টা আসন তারা পেয়েছে, সবই শরিক দলের উপর ভর করে। আর বাংলায় তারা ছিল বিজেপি-সিপিএমের সঙ্গে রাম-বাম-শ্যাম জোটে। লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সাফল্যের পিছনে মানুষের সমর্থন ও তঁার উন্নয়নমূলক কাজকে সামনে এনেছেন মমতা।”
তৃণমূল সুপ্রিমোর দাবি, বাংলায় বিজেপি যে কটা আসন জিতেছে সেগুলিও কারচুপি করেই। সেগুলি জনরায় নয়। বাংলায় বিজেপির পরাজয় সম্পর্কে তিনি লিখেছেন, ‘‘রাজ্য থেকে এই অশুভ শক্তিকে প্রায় মুছে দিতে পেরেছি আমরা। এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে, বাংলায় যেটুকু ভোট পেয়েছে সেকটি আসন আসলে জনরায় নয়। বরং কারচুপি করে জিতেছে। আচমকা ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা যদি সত্য হয় তাহলে লোকসভা ভোটে বিজেপির পরাজয় ঘটেছে।’’
সর্বশেষ খবর
-
ঝড়ের তাণ্ডবে বেসামাল ডিঙি, ভাগীরথীতে তলিয়ে মৃত্যু মহিলার
-
‘পনেরো জন তালিবান, আমি একা মেয়ে!’ আফগানিস্তানের সোলো ট্রিপে আশ্চর্য অভিজ্ঞতা ইনফ্লুয়েন্সারের
-
এআই দিয়ে মায়ের ছবি বিকৃত করে ব্ল্যাকমেল! অন্ডালে রহস্যমৃত্যু কিশোরের
-
যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের দ্বারস্থ জেলেনস্কি, তার মধ্যেই মস্কোর তৈল শোধনাগার উড়িয়ে দিল ইউক্রেন
-
শকুন্তলাকে স্পেশাল হোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু রাজ্যের, সুদিন ফেরার আশায় পরিবার