Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee

রাজ্যপাল সম্পর্কে মন্তব্য করতেই পারেন মুখ্যমন্ত্রী, জানাল হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ

রাজ্যপাল বোসের আদৌ মানহানি হয়েছে কিনা, তা হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চকেই বিবেচনা করে দেখতে বলল ডিভিশন বেঞ্চ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০২৪, ১৫:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০২৪, ১৫:২৭

options
link
রাজ্যপাল সম্পর্কে মন্তব্য করতেই পারেন মুখ্যমন্ত্রী, জানাল হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ zoom

গোবিন্দ রায়: রাজ্যপাল সম্পর্কে মন্তব্য করতেই পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ চার তৃণমূল নেতা। তবে তা কোনওভাবেই কুৎসা কিংবা অপপ্রচার যেন না হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের মানহানি মামলায় নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের। রাজ্যপাল বোসের আদৌ মানহানি হয়েছে কিনা, তা হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চকেই বিবেচনা করে দেখতে বলল ডিভিশন বেঞ্চ।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। পরে মামলায় যুক্ত করতে হয় আরও তিনজনের নাম। তাঁরা হলেন তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষ, বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রেয়াত হোসেন সরকার। রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস তাঁকে অসম্মানের অভিযোগে মামলা করলেও আদালতে তার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মামলায় পক্ষভুক্ত সকলেই। গত ১৬ জুলাই ওই মামলার প্রেক্ষিতে এক অন্তর্বর্তী নির্দেশ জারি করে কলকাতা হাই কোর্ট।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সেলেবদের বিয়ে ভাঙার খবরে উত্তাল টলিউড! নিন্দুকদের নিয়ে বিস্ফোরক শ্রীলেখা, কী বলছেন?]

রাজ্যপালের নামে কোনও আপত্তিজনক মন্তব্য করা যাবে না বলে জানিয়েছিলেন হাই কোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী-সহ তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষ ও দুই বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রেয়াত হোসেন – মামলায় পক্ষভুক্ত চারজনকেই রাজ্যপাল সম্পর্কে কোনও আপত্তিকর মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সিঙ্গল বেঞ্চের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে গত ১৯ জুলাই হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের হয়। হাই কোর্টের বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বিশ্বরূপ চৌধুরীর ডিভিশন বেঞ্চে শুক্রবার মামলার শুনানি হয়। বিচারপতি জানান, রাজ্যপালের বিরুদ্ধে মন্তব্য করতেই পারেন মুখ্যমন্ত্রী-সহ চারজনই। তবে মন্তব্য কোনওভাবেই কুৎসা কিংবা অপপ্রচার যাতে না হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে।

[আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে ছাত্র ‘হেনস্তা’, ফের বিতর্কে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেল]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.