সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছাব্বিশে বিধানসভা ভোটের আগে হিন্দুত্বে শান দিতে ব্রিগেডে ৫ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের (Gita Path) আয়োজন করেছিল আরএসএস ঘনিষ্ঠ সনাতন সংস্কৃতি সংসদ। রবিবার, ৭ ডিসেম্বর সেই অনুষ্ঠান হয়েছে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে। সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকেও। রাজ্যপালের ওইদিনের অনুষ্ঠানে গিয়ে গীতাপাঠে অংশ নিলেও অনুপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এনিয়ে বিজেপি নেতারা কম সমালোচনা করেননি। সোমবার কোচবিহার যাওয়ার পথে দমদম বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে তার জবাব দিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাফ জানালেন, ”ওটা তো বিজেপির অনুষ্ঠান, আমি কী করে যাব? নিরপেক্ষ কোনও অনুষ্ঠান হলে অবশ্যই যেতাম। কিন্তু যারা নেতাজি, বিদ্যাসাগর, রামমোহন রায়দের অপমান করে তাদের সঙ্গে আমি নেই।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বরাবর সংখ্যালঘু তোষণের অভিযোগে সরব বিজেপি। বিশেষত ভোটব্যাঙ্কের কথা ভেবে তৃণমূলের তোষণ-রাজনীতি বলে দাবি তাদের। ইদ, ক্রিসমাসের মতো সংখ্যালঘুদের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর সক্রিয় অংশগ্রহণ সেসব অভিযোগের আঁচ আরও বাড়িয়ে তোলে। তাই রবিবার গীতাপাঠের মতো এত বড় আসরে তিনি অনুপস্থিত থাকায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা, প্রাক্তন রাজ্য সভাপতিদের মুখেই সমালোচনা শোনা গিয়েছিল। তাঁদের বক্তব্য ছিল, গীতাপাঠে অংশগ্রহণ না করাই প্রমাণ করে, তিনি সংখ্যালঘু তোষণে ব্যস্ত।
সোমবার কোচবিহার যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে তাঁকে এনিয়ে প্রশ্ন করা হয়। তাতেই মমতার সাফ জবাব, ”আমি কী করে যাব ওখানে? ওটা তো বিজেপির অনুষ্ঠান। আমার একটা আলাদা আদর্শ আছে। আমি তো ওখানে যেতে পারি না। নিরপেক্ষ কোনও অনুষ্ঠান হলে অবশ্যই যেতাম। আর তাছাড়া যারা বলে যে নেতাজিকে পছন্দ করে না, বিদ্যাসাগর-রামমোহন রায়কে পছন্দ করে না, তাদের সঙ্গে আমি নেই। থাকতে পারব না।”
সর্বশেষ খবর
-
এবার গেরুয়া বনাম লালের মুখোমুখি লড়াই! কল্যাণীর বর্ধিত অধিবেশনে বার্তা সিপিএমের
-
কোর্স করতে অনিচ্ছুক, টাকা ফেরত চেয়ে আবেদন, কলেজে ডেকে ছাত্রী ও মার ‘শ্লীলতাহানি’ বনগাঁয়!
-
জঙ্গলের ‘বিষাক্ত প্রহরী’, বিরল লজ্জাবতী বানরের এবার দেখা মিলবে জঙ্গলমহল জুলজিক্যাল পার্কে
-
গুণমানের পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ, এভারেস্টের হিং-সহ একাধিক মশলা নিষিদ্ধ করল FSSAI
-
তৃণমূল জমানায় দুর্গাপুরে সমবায় ব্যাঙ্কে বেনজির দুর্নীতি! ‘৪০ কোটিরও বেশি লুট’, আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মন্ত্রী কীর্তনিয়ার