Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee

বৃষ্টি মাথায় শারদ উৎসবের সূচনায় মুখ্যমন্ত্রী, হাতিবাগান-শ্রীভূমি, মণ্ডপ উদ্বোধনে মমতা

মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরেই উৎসবের সূচনা বাংলায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৫, ২০:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৫, ২০:২৮

options
link
বৃষ্টি মাথায় শারদ উৎসবের সূচনায় মুখ্যমন্ত্রী, হাতিবাগান-শ্রীভূমি, মণ্ডপ উদ্বোধনে মমতা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বৃষ্টি মাথায় নিয়েই শারদ উৎসবের সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাত পোহালেই মহালয়া। তার আগেই আজ, শনিবার হাতিবাগান সর্বজনীন, শ্রীভূমি-সহ শহরের একাধিক পুজোর দ্বারোদ্ঘাটন করলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। সেই মঞ্চ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগামিকাল মহালয়ার তর্পণের মধ্যে দিয়ে সবরকম বর্ষণ, গর্জন, তর্জনের বিরুদ্ধে মা আলোকের বার্তা নিয়ে আসবেন।” একই সঙ্গে শান্তির কথাও উঠে আসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে।

প্রতি বছর নিয়ম করে মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরেই বাংলায় শারদ উৎসবের সূচনা হয়। এবারও তার অন্যথা হল না! মহালয়ার ঠিক আগের দিনই উৎসবে মেতে উঠল বাংলা। প্রথমেই এদিন হাতিবাগান সর্বজনীনের পুজো উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরেই টালা প্রত্যয় এবং সুজিত বসুর পুজো শ্রীভুমি স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্বোধন করেন তিনি। তবে দেবীপক্ষ এখনও শুরু হয়নি। ফলে এদিন কোনও প্রতিমার উন্মোচন করেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ”মহালয়ার আগে মাতৃমূর্তির উদ্বোধন করি না। শুধুমাত্র প্যান্ডেল উদ্বোধন করতে এসেছি।”

Advertisement
টালা প্রত্যয়ের পুজো উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী।

অন্যদিকে সকাল থেকে বৃষ্টিতে ভিজছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। শুধু তাই নয়, পুজোর দিনগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাসও দিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। যা নিয়ে সাবধানবার্তা শোনা যায় মুখ্যমন্ত্রীদের বক্তব্যে। বলেন, ”বৃষ্টিতে একেবারেই ভিজবেন না। প্রচন্ড ইনফ্লুয়েঞ্জা হচ্ছে। এই বৃষ্টিতে ভিজলে পুজো কদিন মজা করতে পারবেন না।”

আমজনতার উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ”যখন-তখন বৃষ্টি হচ্ছে এখন। আপনারা সকলে ছাতা সঙ্গে নিয়ে বেরবেন। আমরা প্রার্থনা করি, পুজোর কটা দিন সকলে যেন ভালোভাবে কাটাতে পারে। মা যেন পুজোর দু’দিন আগে থেকে আবহাওয়া ভালো করে দেন, সবাই যেন কাজ শেষ করতে পারেন।”

অন্যদিকে দিনের শেষে বাংলার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর যে সম্মান দিয়েছে তা উল্লেখ করে সোশাল মিডিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ”দুর্গাপুজো বাংলা তথা বাঙালির সেরা উৎসব, আমাদের প্রাণের উৎসব, আমাদের গর্বের উৎসব। আমাদের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে এর যোগ। এই পুজো এমন একটা আবেগ যা সকলকে এক করে দেয়। UNESCO পর্যন্ত দুর্গাপুজোকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে বিরল সম্মান জানিয়েছে।” 

মুখ্যমন্ত্রী আরও লেখেন, ”আজ আমি হাতিবাগান সর্বজনীন, টালা প্রত্যয় এবং শ্রীভূমি-র দুর্গাপূজা মণ্ডপ উদ্বোধন করলাম। সব জায়গায় উপস্থিত ছিলেন হাজার হাজার মানুষ, বহু গুণিজন, মন্ত্রীসভায় আমার অনেক সহকর্মী ও আধিকারিকরা।

প্রতিটি অসাধারণ প্যান্ডেল এবং প্রতিটা সূক্ষ্ম শিল্পকর্মের পেছনে রয়েছে আমাদের শিল্পী, কারিগর এবং সংগঠকদের কয়েক মাসের অক্লান্ত পরিশ্রম। বাংলার সমৃদ্ধ সৃজনশীল ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখা এবং তাদের ভক্তি ও শ্রমের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের মুখে আনন্দ ফুটিয়ে তোলার জন্য আমি তাঁদের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।

যদিও কালো মেঘ আমাদের আকাশে ছায়া ফেলেছে, আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে, মা দুর্গার কৃপায় এই সংকট কেটে যাবে।

প্রার্থনা করি, মায়ের আশীর্বাদে বাংলার প্রতিটি পরিবারে সুখ, শান্তি এবং সমৃদ্ধি আসুক। দূর হোক ঘৃণা, জয়ী হোক ভালোবাসা, মানবতাবাদ। আমি মনে করি, একতা ও মানবিকতাই হল আমাদের প্রকৃত ভিত্তি। মানবতার কোনও জাত নেই, ধর্ম নেই, সম্প্রদায় নেই, মানুষ কেবল মানুষ। আর তাই বাংলার যেকোনো উৎসবে উদযাপন হয় একটাই ধর্মের। তার নাম মানব ধর্ম। এটাই বাংলার সংস্কৃতি, এটাই বাংলার ঐতিহ্য।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.