সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কখনও দেবী কালী প্রসঙ্গে আপত্তিকর মন্তব্য, কখনও আবার সংসদে ব্যাগ নিয়ে গিয়ে চর্চায়, কখনও সাংবাদিকদের কটূক্তি করে বিতর্কে জড়িয়েছেন মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। নিজের আচরণে যেমন দলের বিরাগভাজন হয়েছেন, তেমনই তাঁর জন্য দলকেও বেকায়দায় পড়তে হয়েছে। তবে দলনেত্রী সে বিষয়ে মুখ খোলেননি। কিন্তু এবার খোদ দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ‘ধমক’ দিলেন মহুয়া মৈত্রকে।
পঞ্চায়েত ভোটের আগে দলীয় অনুশাসন ও শৃঙ্খলা নিয়ে নেতাজি ইন্ডোরে বৃহস্পতিবার দলের সাংগঠনিক সভার আয়োজন করা হয়েছিল তৃণমূলের তরফে। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সি-সহ ছিলেন দলের নেতা, বিধায়ক, সাংসদ, মন্ত্রীরা। সেখানে বক্তব্য রাখার সময় মহুয়া মৈত্রকে দেখতে পান দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখনই কার্যত ধমকের সুরে তিনি বলেন, “করিমপুর আর মহুয়ার জায়গা নেই। ওটা আবু তাহেরের জায়গা। উনি দেখে নেবেন। তুমি তোমার জায়গাটা নিয়ে থাকো।”
[আরও পড়ুন: একইভাবে অন্য এক যুবককে খুনের চেষ্টা! সত্যেন্দ্র কি সাইকো? উত্তর খুঁজছে পুলিশ]
২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে নদিয়ার প্রার্থী হন মহুয়া মৈত্র। ফলে বর্তমানে নদিয়ার সাংসদ তিনি। আগে ছিলেন করিমপুরের (Karimpur) বিধায়ক। নদিয়া জেলার মধ্যে হলেও করিমপুর মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভার অন্তর্গত। ফলে বর্তমানে ওই এলাকা একবারেই মহুয়া মৈত্রর আওতার মধ্যে পড়ে না। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের অভিযোগ, তা সত্ত্বেও করিমপুর অর্থাৎ নিজের পুরনো এলাকায় নিজের ইচ্ছে মতো রাজনীতি করছেন। দলের সমান্তরালভাবে নিজের সংগঠন দিয়ে নাকি কাজ করাচ্ছেন ওই এলাকায়। যা মোটেও ভাল ভাবে নিচ্ছে না দল। একাধিকবার উষ্মা প্রকাশ করেছেন শীর্ষ নেতারাও। এবার সরাসরি মহুয়াকে তোপ দাগলেন মমতা। নির্দেশ দিলেন শুধু মাত্র নিজের এলাকায় কাজ করার।
[আরও পড়ুন: সশরীরে না থেকেও পুজোয় জড়িয়ে তিনিই, একডালিয়ার দুর্গাপুজোর সংকল্পে এবার সুব্রত-তর্পণ]
সর্বশেষ খবর
-
‘কলাকুশলীরা বেশি ভুগেছেন…’, স্বরূপের গ্রেপ্তারিতে কী বলছেন ‘বাজিগর’ অনির্বাণ?
-
তামিলনাড়ুতে বিজেপিতে মহাভাঙন! আন্নামলাই, নাগার্জুনের পর দল ছাড়লেন সুমতি
-
অস্তাচলে তৃণমূলের সূর্য! ২৮ বছর পর ‘ছুটি’ পেলেন মমতার ‘বক্সীদা’
-
সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে যাচ্ছেন রোহিত, ইংল্যান্ড সিরিজেও কোহলিকে নিয়ে অনিশ্চয়তা
-
প্রকৃতির ডাকেই মিলবে ভবিষ্যতের দিশা, বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বার্তা ‘ইউনিসেফ’-এর