Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
Mamata Banerjee

আর জি কর ইস্যুতে এবার তদন্তের আওতায় মমতা! ‘খতিয়ে দেখা হবে’, বললেন শুভেন্দু

শুক্রবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে ওই ঘটনায় ৩ আইপিএসকে সাসপেন্ড করে এই ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

নব্যেন্দু হাজরা
নব্যেন্দু হাজরা

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ১৬:২৩

link
নব্যেন্দু হাজরা
নব্যেন্দু হাজরা

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ১৬:২৩

options
link
আর জি কর ইস্যুতে এবার তদন্তের আওতায় মমতা! ‘খতিয়ে দেখা হবে’, বললেন শুভেন্দু zoom
আর জি কর ইস্যুতে এবার তদন্তের আওতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়!
Advertisement

মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেই অভয়া কাণ্ডের তদন্তে বিরাট পদক্ষেপ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতা পুলিশের বড় পদে থাকা তিন আইপিএস অফিসারকে সাসপেন্ড করার পাশাপাশি নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু জানিয়েছেন, ওই সময় কাদের নির্দেশে সাসপেন্ডেড আধিকারিকরা কাজ করেছেন, সাংবাদিক বৈঠক করেছেন, সেটা মুখ্যমন্ত্রী নাকি অন্য কোনও মন্ত্রীর নির্দেশে, সমস্ত বিষয় তদন্তের আওতায় এনে খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর কথায়, ‘‘ওই আইপিএসদের ফোনকল, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট সব বের করব। দেখতে হবে, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য কোনও মন্ত্রীর কথায় তাঁরা সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন কি না। তবে প্রাথমিকভাবে পরিস্থিতি সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া এবং নির্যাতিতার পরিবারকে টাকা দিতে চাওয়ার অভিযোগের তদন্ত হবে।”

ভোটের প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহরা কথা দিয়েছিলেন, বিজেপি বাংলায় সরকার গড়লে আর জি করে অভয়া মামলার ফাইল নতুন করে খোলা হবে। একই আশ্বাস দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারীও। সেই কথা রেখেই মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেই এই মামলার তদন্তে তৎপর হতে দেখা গেল তাঁকে।

Advertisement

শুভেন্দু অধিকারী এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের নাম। তাঁর কথায়, ‘‘বিশেষ করে সেসময় একজন ডিসির কথা বলতে হবে। আর জি করের ঘটনার সময় রোজ রোজ সাংবাদিক বৈঠকে তাঁর মুখের ভাষা, শরীরী ভাষা যা ছিল, তা বাংলার পক্ষে খুব একটা সুখকর ছিল না। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে উঠতেই পারে। তিনি তো সেসময় কলকাতা পুলিশের মুখপাত্র ছিলেন না, আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি। অন্তত কেউ কোনও কাগজে-কলমে তাঁকে দায়িত্ব দেয়নি। তাহলে কি তখনকার মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য কোনও মন্ত্রীর নির্দেশে তিনি এই কাজ করেছিলেন, সেটা খতিয়ে দেখতে হবে।”

শুক্রবার নবান্ন সভাঘরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানালেন, ‘‘অভয়া কাণ্ডে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের মধ্যে দিয়ে সবচেয়ে বড় যে অভিযোগ আমাদের কানে এসেছিল, নির্যাতিতার মায়ের তরফে, তা হল তৎকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত ২ পুলিশ অফিসার পরিবারকে টাকা দিতে চেয়েছিলেন। বলা হয়েছিল, রাজ্য সরকারের তরফে তাঁদের এই প্রস্তাব। এটা কারা, কেন বলেছিল, রাজ্য সরকারের কথায় নাকি অন্য কিছু – এসবের তদন্ত করা প্রয়োজন, তদন্ত হবে। আর যাঁদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ, সেসব অফিসারদের সাসপেন্ড করে তারপর তদন্ত শুরু করা দরকার। নাহলে তদন্তে স্বচ্ছতা থাকবে না।” এরপরই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, কলকাতা পুলিশের তৎকালীন তিন আইপিএস অফিসার – বিনীত গোয়েন (বর্তমান এডিজি, আইবি), তৎকালীন ডিসি, সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়, তৎকালীন ডিসি, নর্থ অভিষেক গুপ্তাকে সাসপেন্ড করা হল।

শুভেন্দু অধিকারী এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের নাম। তাঁর কথায়, ‘‘বিশেষ করে সেসময় একজন ডিসির কথা বলতে হবে। আর জি করের ঘটনার সময় রোজ রোজ সাংবাদিক বৈঠকে তাঁর মুখের ভাষা, শরীরী ভাষা যা ছিল, তা বাংলার পক্ষে খুব একটা সুখকর ছিল না। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে উঠতেই পারে। তিনি তো সেসময় কলকাতা পুলিশের মুখপাত্র ছিলেন না, আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি। অন্তত কেউ কোনও কাগজে-কলমে তাঁকে দায়িত্ব দেয়নি। তাহলে কি তখনকার মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য কোনও মন্ত্রীর নির্দেশে তিনি এই কাজ করেছিলেন, সেটা খতিয়ে দেখতে হবে।” শুভেন্দুর এই কথা থেকেই স্পষ্ট, যদি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ওই সাংবাদিক বৈঠক করে থাকেন, তাহলে তিনিও তদন্তের উর্ধ্বে থাকবেন না। 

এনিয়ে তৃণমূল বিধায়ক তথা দলের অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষের প্রতিক্রিয়া, ‘‘ব্যাপারটা দলের অন্দরে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এটুকু বলতে পারি, রাজ্য সরকার ও রাজ্য পুলিশের তদন্ত প্রশ্ন তুলেই তো আপনারা হাই কোর্টে গিয়ে সিবিআই তদন্তের অনুমতি পেয়েছিলেন। অন্তত তিনটি আদালতের নজরদারিতে এই মামলা হয়েছে। এখনও সিবিআই তদন্ত চলছে। তার মাঝে আবার কীভাবে নতুন রাজ্য সরকার নিজেদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত কার্যকর করছে, সেটা প্রশ্ন।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.