Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee

‘মানবতার সঙ্গে কোনও আপস নয়’, আগাম দুর্গাপুজোর সূচনায় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

ইউনেস্কোর প্রতিনিধিদের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২, ১৮:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২, ১৮:৫৩

options
link
‘মানবতার সঙ্গে কোনও আপস নয়’, আগাম দুর্গাপুজোর সূচনায় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। পুজোর মহামিছিলের পর রেড রোডের মঞ্চ থেকে ফের এই বার্তাই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বললেন, “মানবতাই সব থেকে বড় শক্তি। তাই মানবতার সঙ্গে কোনও আপস নয়।”

বিশ্ব দরবারে অন্যতম সেরা উৎসবের স্বীকৃতি আদায় করে নিয়েছে বাংলার দুর্গাপুজো (Durga Puja 2022)। ঢুকে পড়েছে ইউনেস্কোর আবহমান ঐতিহ্যের তালিকায়। সেই কারণে ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানাতে ১ সেপ্টেম্বর মহামিছিলের কথা আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই মতো এদিন বেলা ২ টোয় জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি থেকে শুরু হয় পুজো মিছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ছিলেন তার নেতৃত্বে। মিছিল এসে শেষ হয় রেড রোডে। সেখানকার অনুষ্ঠান মঞ্চে ছিলেন ইউনেস্কোর প্রতিনিধি, বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিশিষ্টজনেরা। ওই মঞ্চে ইউনেস্কোকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেন একাধিক দুর্গামূতি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ১১১ বছরের ইতিহাসে প্রথম! ইউনেসকোর স্বীকৃতি মিলতেই হাই কোর্ট চত্বরে দুর্গাপুজোর আয়োজন

মানবিকতার বার্তার পাশাপাশি দুর্গাপুজোর ফলে রাজ্যের কত মানুষ উপকৃত হন, এদিন তা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে ৪০ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা হয়।” এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আজ থেকে পুজো শুরু হয়ে গেল। খুশিতে থাকুন। মন ভাল রাখুন। মানবিক থাকুন। হৃদয়কে উদার করুন।” এসবের পাশাপাশি ইউনেস্কোর প্রতিনিধিদের কলকাতার পুজো দেখার আমন্ত্রণ জানান। বলেন, ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি আরও উদ্বুদ্ধ করবে বাঙালিকে।

প্রসঙ্গত, এদিন পুজোর মিছিল শেষ হওয়ার পর রেড রোডে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। বাউল গান করেন ১০০ জন লোক সংগীত শিল্পী। নৃত্য পরিবেশনা করেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়-সহ অন্যান্যরা। এসবের মধ্যে দিয়েই বাংলায় শুরু হয়ে গেল পুজো। 

[আরও পড়ুন: বঙ্গ বিজেপিতে আরও কমল অমিতাভর ক্ষমতা, ১৮ সাংগঠনিক জেলার দায়িত্বে সতীশ ধন্দ

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.