Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee

অমর্ত্য সেন, শামিদের SIR শুনানির নোটিস ‘অমানবিক’, ফের ‘অসংবেদনশীল’ জ্ঞানেশকে চিঠি মমতার

পাঁচদিনের ব্যাবধানে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ২০:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ২০:১৭

options
link
অমর্ত্য সেন, শামিদের SIR শুনানির নোটিস ‘অমানবিক’, ফের ‘অসংবেদনশীল’ জ্ঞানেশকে চিঠি মমতার zoom

নব্যেন্দু হাজরা: মাঝে মাত্র পাঁচদিনের ব্যবধান। আবারও এসআইআরের শুনানি পর্বের ত্রুটির অভিযোগ টেনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি পাঠালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন, বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার মহম্মদ শামি, বিশিষ্ট কবি জয় গোস্বামীকে শুনানির নোটিস পাঠানোকে কমিশনের অমানবিক, অসংবেদনশীল পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেকথা স্পষ্ট করে জানিয়েই মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি লিখলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, যে পদ্ধতিতে শুনানি চলছে, তা ত্রুটিযুক্ত। অবিলম্বে এই পদ্ধতি বন্ধ হোক। যদিও চিঠির শেষে মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতে লিখেছেন, ”জানি আপনি হয়তো চিঠির জবাব দেবেন না। কিন্তু আপনাকে বিস্তারিত সব জানানো আমার কর্তব্য।”

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

চিঠির শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যে পদ্ধতিতে এসআইআরের কাজ করছে নির্বাচন কমিশন, তাতে তিনি স্তম্ভিত এবং বিরক্ত। শুনানির বিষয়টি চলছে সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর এবং তথ্যগত ত্রুটির ভিত্তিতে। সাধারণ বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে খতিয়ে দেখার কাজ মোটেই হচ্ছে না। আর সেই কারণেই অমর্ত্য সেন, জয় গোস্বামী কিংবা মহম্মদ শামিদের মতো সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরও শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছে। এসব মোটেই কাম্য নয় বলে চিঠিতে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর মতে, এটা অসংবেদনশীল এবং বাস্তব সম্পর্কে অনভিজ্ঞতার ফল। কমিশনের এসব কাজ গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোকে দুর্বল করে দিচ্ছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement

এমনকী সামান্য বানানের হেরফেরেও যে কমিশন থেকে ভোটারদের নথি তলব করে শুনানিকেন্দ্রে ডেকে পাঠানো হচ্ছে, তা নিয়েও আপত্তি তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি নিজের নামের বানান দিয়ে উদাহরণও দিয়েছেন। Mamata-র বানান কোনওভাবে Mamta লেখা হয়ে যেতেই পারে। তাতে ওই ভোটার যে অন্য কেউ, এই সন্দেহের অবকাশ খুবই কম বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া বয়স্ক মানুষদের শুনানিকেন্দ্রে তলব নিয়েও বেশ আপত্তি তুলেছেন তিনি। চারপাতার চিঠির ছত্রে ছত্রে গোটা পদ্ধতির বিরোধিতায় যুক্তি সাজিয়েছেন। শেষে স্বহস্তে লেখা, জনতার সমস্যার কথা সবিস্তারে নির্বাচন কমিশনকে জানানো তাঁর কর্তব্য, সেই কারণে এই চিঠি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.