Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৯ জুন ২০২৬

স্বামীকে পিটিয়ে খুন, বারাসতে গ্রেপ্তার স্ত্রী ও তার প্রেমিক

মোবাইলের কল লিস্ট ঘেঁটেই রহস্যের কিনারা হয়৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০১৭, ১০:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০১৭, ১০:৫৯

options
link
স্বামীকে পিটিয়ে খুন, বারাসতে গ্রেপ্তার স্ত্রী ও তার প্রেমিক zoom

স্টাফ রিপোর্টার, বারাসত: বিবাহবহির্ভূত প্রেমে বাধা দেওয়ায় প্রেমিকের সঙ্গে ছক কষে স্বামীকে খুন৷ প্রায় এক মাস পর সেই খুনের ঘটনার কিনারা করল পুলিশ৷ গ্রেপ্তার মৃতের স্ত্রী ও তার প্রেমিক৷ ধৃতদের নাম মনুয়া মজুমদার ও অজিত রায়৷ মে মাসের ৩ তারিখ বারাসত থানা এলাকার হৃদয়পুরে নিজের বাড়িতেই খুন হয়েছিলেন কলকাতার এক মুদ্রা বিনিময় সংস্থার ম্যানেজার অনুপম সিংহ৷ ঘরের মধ্যে থেকে উদ্ধার হয় তাঁর রক্তাক্ত দেহ৷

[সমতলে জয়ের ধারা অব্যাহত, পাহাড়ে মিরিক দখল তৃণমূলের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, কোনও ভারি জিনিস দিয়ে অনুপমবাবুর মাথায় ও মুখে মারা হয়েছে৷ এত জোরে আঘাত করা হয়েছিল যে নাকের হাড় ভেঙে ভিতরে ঢুকে যায়৷ মাথার পাশে গভীর ক্ষতও দেখা যায়৷ তবে কে বা কেন খুন এত নৃশংসভাবে করল সে বিষয়ে পুরোপুরি ধোঁয়াশা ছিল৷ যদিও প্রথম থেকেই অনুপমের স্ত্রী মনুয়াকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছিল৷ শেষে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া বিয়ের আংটি ও মনুয়ার মোবাইলের কল লিস্টের তথ্য ঘেঁটে রহস্যের কিনারা হয়৷

[জেলে বসেই দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী]

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন স্বামী অনুপমকে অন্যদিনের তুলনায় বেশি ফোন করে মনুয়া৷ ওই দিন বাপের বাড়িতে ছিল সে৷ তাই এভাবেই স্বামীর গতিবিধি জেনে প্রেমিককে খবরা-খবর দিচ্ছিল সে৷ এক তদন্তকারী অফিসারের কথায়, প্রথমেই সন্দেহ হয়েছিল এই ঘটনায় পরিচিত কেউ যুক্ত৷ এবং এমন কেউ যার কাছে বাড়ির দ্বিতীয় চাবি রয়েছে৷ যেমনটি সন্দেহ ঠিক তেমনটিই ঘটেছিল৷ অনুপম বাড়িতে ঢুকতেই মনুয়ার প্রেমিক অজিত তাঁকে ভারি জিনিস দিয়ে পিটিয়ে খুন করে৷ প্রমাণ না রাখার জন্য ঘাতক অস্ত্রটিও নিয়ে লুকিয়ে ফেলে সে৷ তবে সব অপরাধের ক্ষেত্রেই অপরাধী কোনও না কোনও প্রমাণ ছেড়ে যায়৷ পুলিশ জানতে পেরেছে, ঘটনার পর থেকে দিনে গড়ে আট ঘণ্টা প্রেমিকের সঙ্গে ফোনে কথা বলে মনুয়া৷ মনুয়া ও অজিতকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তাদের কথায় অনেক অসংগতি পাওয়া যায়৷ তারপরই তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ৷ আদালতে পেশ করা হলে ধৃতদের ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়৷

[সাধারণ মানুষের জন্য কম খরচে নেশামুক্তি কেন্দ্র খুলতে চান সঞ্জয়]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.