১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ভাঙড়ে মাও-যোগ! বেলঘরিয়ায় ধৃত সিপিআইএমএল রেড স্টার-এর ১১ সদস্য

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 4, 2018 6:05 am|    Updated: January 4, 2018 6:10 am

An Images

ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভাঙড় হিংসায় ফের প্রকাশ্যে মাওবাদী যোগ। বৃহস্পতিবার বেলঘরিয়া স্টেশনে গ্রেপ্তার করা হল ‘সিপিআইএমএল রেড স্টার’-এর  ১১ জন সদস্যকে। অসম থেকে ভাঙড়ে যাচ্ছিল তারা।

[অস্ত্র নিয়ে ভাঙড়ে ঢুকেছিল বহিরাগতরাই, ফের সরব মুখ্যমন্ত্রী]

 সূত্রের খবর, এদিন সকালে বেলঘরিয়া স্টেশনে কুখ্যাত মাওনেতা রাজু সিং-এর নেতৃত্বে এসে পৌঁছয় ‘গণ আন্দোলন’ সংগঠনের ১১ জন সদস্যের একটি দল। তাদের উদ্দশ্যে ছিল ভাঙড়ে পাওয়ার গ্রিড বিরোধী আন্দোলনে ইন্ধন জোগানো। তবে ভাঙড়ে মাওযোগ নিয়ে সতর্ক ছিল পুলিশ ও প্রশাসন। মাওবাদীদের গতিবিধির গোপন খবর এসে পৌঁছয় গোয়েন্দাদের কাছে। তারপরই দ্রুত ছকে ফেলা হয় অভিযানের নকশা। রাজ্য পুলিশ ও লালবাজারের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের গোয়েন্দারা ঘিরে ফেলেন স্টেশন চত্বর। তারপরই শুরু হয় অপেক্ষা। বেলঘরিয়া স্টেশনে নামা মাত্র পুলিশের জালে পড়ে রাজু ও তার দলবল। তাদের বেঘরিয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

রাজ্যে মাওবাদীদের শিরদাঁড়া ভেঙে যাওয়ার ফলে এখন ভাঙড়কে কেন্দ্র করে হিংসা উসকে দিতে চাইছে মাওরা। এক্ষেত্রেও অসম ও বিহারের মতো পার্শ্ববর্তী রাজ্য থেকে মদত আসছে। যদিও সমস্ত বিষয়টি নজরে রয়েছে প্রশাসনের। তাই এদিনের গ্রেপ্তারিকে বড়সড় সাফল্য বলেই দেখছে পুলিশ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, দলবল-সহ সাধারণ মানুষের বেশে ভাঙড়ে ছড়িয়ে পড়ার মতলব করছিল রাজু সিং। তারপর ‘গণ আন্দোলন’ সংগঠনের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে দ্রুত মাও সংগঠনকে মজবুত করার ছক কষছিল তারা। এদিকে ভাঙড়ে জমিরক্ষা কমিটির সভা ঘিরে ছড়িয়েছে তুমুল উত্তেজনা। বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকাতে অবরোধ করছেন স্থানীরা। গতরাতে ১টা পর্যন্ত গাজিপুরে গুলি চলে বলে দাবি। একই সঙ্গে চলে বোমাবাজিও।

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই ভাঙড়ের পরিস্থিতি নিয়ে হস্তক্ষেপ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভাঙড়ে মাও-যোগ নিয়ে আগেই সতর্ক করেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নে তলব করেন ভাঙড়ের বেশ কয়েকজন নেতাকে। তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর ঠিক হয় পাওয়ার গ্রিডের জটিলতা কাটাতে আক্রান্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, ভাঙড়ে দলের নেতাদের একসঙ্গে চলতে হবে। সব মিলিয়ে ভাঙড়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মরিয়া সরকার।

[ভাঙড়ে ক্ষতিপূরণের সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর, নেতাদের একসঙ্গে চলার নির্দেশ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement