Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Cyclone Remal

রেমালের দাপটে জল থইথই মেট্রো, আংশিক বন্ধ পরিষেবা

রেমালের দাপটে ফের মেট্রো বিভ্রাট। আপাতত গিরিশ পার্কের পর থেকে কবি সুভাষ পর্যন্ত বন্ধ মেট্রো পরিষেবা। সপ্তাহের প্রথম কর্মব্যস্ত দিনে ভোগান্তির শিকার অফিসযাত্রীরা। যদিও দক্ষিণেশ্বর থেকে গিরিশ পার্ক পর্যন্ত পরিষেবা স্বাভাবিক রয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২৪, ১১:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২৪, ১১:১৭

options
link
রেমালের দাপটে জল থইথই মেট্রো, আংশিক বন্ধ পরিষেবা zoom

নব্যেন্দু হাজরা: রেমালের দাপটে জল থইথই মেট্রো ট্র্যাক। পার্ক স্ট্রিট-এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন জলমগ্ন। তার ফলে আংশিক বন্ধ পরিষেবা। আপাতত গিরিশ পার্কের পর থেকে কবি সুভাষ পর্যন্ত বন্ধ মেট্রো পরিষেবা। সপ্তাহের প্রথম কর্মব্যস্ত দিনে ভোগান্তির শিকার অফিসযাত্রীরা। যদিও দক্ষিণেশ্বর থেকে গিরিশ পার্ক পর্যন্ত পরিষেবা স্বাভাবিক রয়েছে।

মেট্রো সূত্রে খবর, পার্ক স্ট্রিট-এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনের মাঝে জল জমে গিয়েছে। তার ফলে বন্ধ পরিষেবা। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে ফের কখন শুরু হবে মেট্রো যাতায়াত, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। বলে রাখা ভালো, এর আগে রবিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে মেট্রো পরিষেবা আংশিক বন্ধ হয়ে যায়। টালিগঞ্জ অর্থাৎ মহানায়ক উত্তম কুমার স্টেশনের পর থেকে কবি সুভাষ পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা প্রায় ঘণ্টাদুয়েক বন্ধ ছিল। সাড়ে সাতটার পর পরিষেবা স্বাভাবিক হয়। রাতের দিকেও নির্ধারিত সময় মেট্রো পেতে সমস্যায় পড়েন আমজনতা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ইউটিউবার ধ্রুব রাঠির ভিডিওর জেরে ধর্ষণ ও খুনের হুমকি পাচ্ছেন, নয়া অভিযোগ স্বাতীর]

উল্লেখ্য, রবিবার রাতে মোংলার দক্ষিণ-পশ্চিম দিক দিয়ে বাংলার উপকূল ও বাংলাদেশের খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম করে। তার প্রভাবে প্রায় ৯০-১২০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে শুরু করে। সঙ্গে বৃষ্টি। কলকাতার হাওয়ার গতিবেগ তুলনামূলক বেশ কিছুটা কম ছিল। তবে নাছোড় বৃষ্টি থেকে এখনই রেহাই মেলার কোনও সম্ভাবনা নেই। কলকাতার বিভিন্ন রাস্তা জলমগ্ন। বিভিন্ন জায়গায় ভেঙে পড়েছে গাছ। মেয়র ফিরহাদ হাকিমের দাবি, কলকাতায় ছোট বড় মিলিয়ে মোট ৫৮টি গাছ ভেঙে পড়েছে। যদিও গাছ সরিয়ে রাস্তা ফাঁকা করার কাজ চলছে। একে তো ভরা কোটালের দাপট আবার তার উপর অঝোর বৃষ্টি। সবমিলিয়ে জলযন্ত্রণা দূর হতে কিছুটা সময় লাগবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: চিপকে ফিরল মায়াবী রাত, ফুটবল থেকে ক্রিকেটে বিজয়কেতন উড়ল বাংলার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.