৩০ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ১৭ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিবাহ বিচ্ছেদ মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার আলিপুর আদালতে হাজিরা দিলেন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন বিশেষ বান্ধবী বৈশাখি বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে মেয়রের স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়ের পক্ষে হাজির ছিলেন তাঁর আইনজীবী৷ সূত্রের খবর, খোরপোশ বাবদ মেয়র পত্নীর পক্ষ থেকে মাসে দেড় লাখ টাকা ও মেয়ের পড়াশোনার খরচ চাওয়া হয়েছে৷ অন্যদিকে আদালতে স্ত্রীর বিরুদ্ধে সমস্ত তথ্য-প্রমাণ জমা দেন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়৷

[ফ্লিপকার্টে ফোন করতেই বিজেপির সদস্য হওয়ার ডাক, তাজ্জব ক্রেতা]

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা থেকে প্রায় ঘন্টাখানেক চলে এই মামলার শুনানি৷ যবে থাকে মেয়রের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর বিবাদ শুরু হয়েছে তবে থেকেই মেয়রের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন বৈশাখি বন্দ্যোপাধ্যায়৷ জানিয়েছেন, তিনি ও তাঁর পরিবার শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত বন্ধু। এমনকি কয়েকদিন আগে পরিবেশ দপ্তর থেকে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে দেওয়ার পর, সেই দপ্তরের কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন বৈশাখি বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এদিনও শুনানির সময় আদালত কক্ষেই হাজির ছিলেন মেয়রের বান্ধবী বৈশাথী বন্দ্যোপাধ্যায়৷ রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের প্রমাণ এদিন আদালতে জমা দেন শোভন চট্টোপাধ্যায়।

[স্থগিত ভরতির পরীক্ষা, ফের রাতভর ঘেরাও যাদবপুরের উপাচার্য]

গত এপ্রিল মাস থেকেই মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় সঙ্গে বিবাদ চলছে তাঁর স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়ের৷ একে অপরের বিরুদ্ধে একাধিকবার পর্ণশ্রী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। কখনও বাড়িতে ঢুকতে না দেওয়া, কিংবা কখনও নজরদারি চালানোয়৷ এমনকি মে মাসের শেষের দিকে মেয়রের বাড়ির সামনে ধরনায় বসেছিলেন রতনা চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ ছিল, বিদেশে পড়তে যাওয়ার জন্য মেয়ের ভিসার কাগজে সই করছেন না মেয়র। যদিও মেয়রের দাবি ছিল, তিনি অসুস্থ৷ সেই সুযোগে তাঁকে ভুয়ো কাগজে সই করানোর চেষ্টা করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন মেয়র-পত্নী৷ পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে সেখান থেকে সরানো হয়েছিল।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং