Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Mithun Chakraborty

বঙ্গ বিজেপির কোন্দল-ঝগড়ায় বিরক্ত মিঠুন! একাধিক দলীয় কর্মসূচিতে ‘না’ বলছেন ‘মহাগুরু’

তাঁর কথাও কেউ শুনছে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৫, ২০:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৫, ২০:৪৪

options
link
বঙ্গ বিজেপির কোন্দল-ঝগড়ায় বিরক্ত মিঠুন! একাধিক দলীয় কর্মসূচিতে ‘না’ বলছেন ‘মহাগুরু’ zoom
ফাইল ছবি।

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: বঙ্গ বিজেপির গোষ্ঠীবাজি এবং কর্মীদের মধ্যে ঝগড়া, বিশৃঙ্খলায় দলের জাতীয় কর্মমিতির সদস‌্য তথা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী বিরক্ত বলে জেলায় জেলায় দলীয় কর্মসূচি এড়াচ্ছেন। গেরুয়া শিবির সূত্রে এমনই খবর। ‘মহাগুরু’ সম্প্রতি বুথস্তরে পার্টির কাজে নামার কথা ঘোষণা করেন। বেশ কয়েকটি সাংগঠনিক জেলায় বৈঠকও করেন। কিন্তু সেইসব বৈঠকে দলের নেতা-কর্মীদের একাংশের কোন্দল ও বিশৃঙ্খলা দেখে ক্ষুব্ধ ও বিরক্ত মিঠুন। তিনি বৈঠকে থেকেও কোন্দল থামাতে পারছেন না। তাঁর কথাও কেউ শুনছে না। আর তাই নিচুতলায় গিয়ে দলীয় বৈঠকে ‘না’ বলতে শুরু করেছেন মিঠুন।

দলের রাজ‌্য কমিটির এক নেতার কথায়, যে বঙ্গ বিজেপিকে নিয়ে লড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মিঠুনদা, ছাব্বিশের ভোটের আগে তার দশা দেখে তিনি খুবই বিরক্ত। পদ্ম শিবিরের অন্দরে কান পাতলেও এমনই শোনা যাচ্ছে। গত মাসেই দক্ষিণ কলকাতায় দলীয় বৈঠকে মিঠুনের সভায় কারা থাকবেন, কারা থাকবেন না, তা নিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। মিঠুনের সামনেই দু’পক্ষ হাতাহাতিতে জড়ায়।

Advertisement

এই পরিস্থিতি দেখে বিরক্ত হয়ে বৈঠক হল ছেড়ে পাশের ঘরে চলে যান মিঠুন। সেখানে মিঠুনকে শুনতে হয়, ভোটের সময় কর্মীদের খরচ করার টাকা জেলা নেতারা মিটিয়ে দিয়েছেন কিনা। এরপর কয়েকটি জেলায় গিয়েও দলের মধ্যে কর্মীদের ক্ষোভ-বিক্ষোভের কথা শুনতে হয়েছে তাঁকে। আবার বর্ধমানের রবীন্দ্র ভবনের সভাতেও কর্মীদের মধ্যে বিশৃঙ্খলতা দেখেছেন তিনি।

চব্বিশের লোকসভা ভোটের পরেও দলীয় বৈঠকে সংগঠনের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন মিঠুন। দলে পারস্পরিক বিদ্বেষ, হিংসা বাড়ছে বলেও তিনি মন্তব‌্য করেছিলেন। ২০২১ সালে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মিঠুন। বিধানসভা ভোটের আগে রাজ‌্যজুড়ে দলের হয়ে পদযাত্রা করেছিলেন তিনি। কিন্তু তার কোনও প্রভাব পড়েনি। বিজেপির আসন সংখ‌্যা ৭৭-এ থেমে গিয়েছিল। আবার চব্বিশের লোকসভা ভোটেও দলের হয়ে প্রচারে তাঁকে ‘তারকা মুখ’ করা হলেও বাংলায় বিজেপি শোচনীয় ফল করেছে।

যে ‘জোশ’ নিয়ে বঙ্গ বিজেপির হাল ফেরানোর বার্তা দিয়ে মাঠে নেমেছিলেন তিনি, কয়েক মাস পরেই তা হতাশায় পরিণত হয়েছে বলে খবর পদ্ম শিবিরে। সম্প্রতি কলকাতা, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং পুরুলিয়ায় দলীয় বৈঠক করে দলের হয়ে আশাপ্রদ কিছু চোখে পড়েনি তাঁর। ফলে বঙ্গ বিজেপির বিশৃঙ্খল অবস্থা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই বিরক্ত মহাগুরু। তাই টানা কর্মসূচিতে ‘ব্রেক’ নিয়েছেন তিনি। সব কর্মসূচিতে থাকার ইচ্ছাও প্রকাশ করছেন না। আর বিজেপির একাংশের কথায়, মিঠুনদা ভাল অভিনেতা, তাঁর জনপ্রিয়তা রয়েছে। সেটার জন‌্যই কর্মীরা ও বহু মানুষ তাঁকে দেখতে আসছেন। কিন্তু রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তাঁকে কেউ মানছেন না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.