রাহুল চক্রবর্তী: বিধায়কদের যত টাকাই থাকুক, বিধানসভার এসবিআই ব্যাঙ্কের শাখায় জমা দেওয়া যাবে না এক লক্ষ টাকার বেশি৷ ব্যাঙ্কের কাচের দরজায় সাদা কাগজে তা লিখে জানিয়েও দেওয়া হয়েছে৷ হবে না কোনও এক্সচেঞ্জও৷
ব্যাঙ্কের শাখা আছে৷ আছে ডাকঘরও৷ দুটোর মধ্যে দূরত্ব তিন থেকে চার পা৷ গোটা দেশের মানুষ যখন টাকা ভাঙাতে ছুটছে ব্যাঙ্ক-পোস্ট অফিসে, সেখানে ব্রাত্য নন বিধায়করাও৷ কিন্তু অন্য ছবি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায়৷ একটি এসবিআই ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট রয়েছে বিধানসভায়৷ একেবারে উল্টো দিকের ঘরেই রয়েছে পোস্ট অফিস৷ সাধারণত বিধায়ক, প্রাক্তন বিধায়ক, বিধানসভার কর্মীরাই বিধানসভার এসবিআই ব্যাঙ্কের শাখা ব্যবহার করেন৷ একটা খবর রটে গিয়েছিল, অনেক বিধায়কই নাকি কয়েক লক্ষ টাকা বিধানসভার ভিতর ‘সেফ জোনে’ থাকা এই ব্যাঙ্কে জমা দিতে পারেন৷ এমনকী, বুধবার বিধানসভায় আসা বিধায়করা রসিকতার ছলে এই গল্পও করেছেন, ‘আজ কত জমা দিলেন’৷
যেমন, কংগ্রেস বিধায়ক নেপাল মাহাতো জানালেন, “১২ হাজার টাকা জমা দিলাম৷ শুনলাম অনেক বিধায়ক আমার থেকে কয়েক গুণ টাকা জমা দিয়েছেন৷” বিধানসভার এসবিআই ব্যাঙ্কের শাখায় দিনভর ভিড় ছিল মোটামুটি৷ কিন্তু যে বিধায়ক কিংবা বিধানসভার কর্মীরা টাকা ভাঙাতে এসেছিলেন, তাঁদের নিরাস হয়েই ফিরতে হয়েছে৷ ব্যাঙ্কে হয়নি কোনও এক্সচেঞ্জ৷ শুধু ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট জমা দেওয়া এবং টাকা তোলার কাজ হয়েছে৷ ফলে এক্সচেঞ্জ করাতে এসে পুরনো টাকা নিয়েই ফিরতে হয়েছে৷ আর গোদের উপর বিষফোড়া ব্যাঙ্কের একটি নির্দেশ৷ যাঁরা লাখ টাকার বেশি জমা দিতে এসেছিলেন, তাঁদের ব্যাঙ্কের গেটের দরজা থেকেই ফিরতে হয়েছে৷ দরজায় সাদা কাগজে লেখা, “এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত এই শাখায় জমা নেওয়া হবে৷ টাকা অধিক হলে পার্শ্ববর্তী হাই কোর্টের শাখায় যান৷” কিন্তু কেমন নির্দেশ? ব্যাঙ্কের আধিকারিক জানালেন, এই শাখায় স্থায়ী কর্মী মাত্র একজন৷ ফলে যাতে অসুবিধা না হয় তাই পাশের শাখায় যেতে বলা হয়েছে৷ তবে অন্য ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিসের তুলনায় বিধানসভার ব্যাঙ্ক ও পোস্ট অফিসে ভিড় ছিল কম৷
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা