৩০ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: বঙ্গে রথযাত্রার পালে হাওয়া লাগাতে নরেন্দ্র মোদিকে দিয়ে রাজ্যে চারটি সভা করার পরিকল্পনা নিল বিজেপি। রথযাত্রা চলাকালীন শিলিগুড়ি কিংবা জলপাইগুড়ি, দুর্গাপুর বা আসানসোল, মালদহ এবং কৃষ্ণনগর মিলিয়ে মোট চারটি সভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এ খবর জানিয়ে বলেন, পার্টির তরফে মোদির সভা করার জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। ৭ ডিসেম্বর থেকে রথযাত্রা শুরু হচ্ছে কোচবিহার থেকে। সেখানে সূচনা করছেন অমিত শাহ। ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে মোদির সভাগুলি হবে। সভার প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছেন মোদি। একমাস রথযাত্রা চলবে। প্রতি সপ্তাহে একটি করে সভা করতে চান প্রধানমন্ত্রী। আজ সকালে মোদির সভার বিষয়টি ঠিক হয়েছে। পরে এ খবর নিশ্চিত করেন দিলীপ ঘোষ।

[তৃণমূলের ব্রিগেডে যাচ্ছে না সিপিআই, ফরোয়ার্ড ব্লক]

বঙ্গ বিজেপির আশা, রথযাত্রা চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী সভা করলে জনসমাগম বাড়বে। সেই সঙ্গে বাড়বে সাংগঠনিক ক্ষমতাও। কিন্তু এসব দাবিকে পাত্তা দিচ্ছে না তৃণমূল শিবির। রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতার হবু মেয়র ফিরহাদ হাকিমের দাবি, মোদির জনসভা বঙ্গে কোনও প্রভাবই ফেলতে পারবে না। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মাটি এত শক্ত যে পাঁচটা কেন ৫০০টা সভা করেও নরেন্দ্র মোদী এখানে সুবিধা করতে পারবেন না”

[সোমেনপুত্র-র হাতেই কি এবার উঠবে যুব কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ? তুঙ্গে জল্পনা]

এদিকে, রথযাত্রা কর্মসূচি নিয়ে রাজ্য প্রশাসন কোনওরকম সহযোগিতা করছে না। চিঠি দেওয়া সত্ত্বেও নবান্ন কোনো উত্তর দেয়নি। এই অভিযোগে রাজ্যপালকে নালিশ জানাল বিজেপি নেতৃত্ব। রাহুল সিনহা, দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়-সহ রাজ্য বিজেপির এক প্রতিনিধি দল সোমবার বিকেলে দেখা করে রাজ্যপালের সঙ্গে। রাহুল সিনহা বলেন, “রাজ্য সরকার চিঠির উত্তর দিক বা না দিক, রথযাত্রা হবে। প্রয়োজনে আমরা আইনের দ্বারস্থ হব। যাত্রা বেরোবে। আরও রক্ত যদি বিজেপি কর্মীদের ঝরে ঝরবে।” রাহুলের দাবি, রাজ্যপাল বলেছেন তিনি এ বিষয়ে প্রশাসনের উপযুক্ত আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলবেন। চিঠি দেবেন।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং