Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১ জুলাই ২০২৬

বারুইপুরে বৃদ্ধার রহস্যমৃত্যু, নিখোঁজ ২২ দিনের নাতনি

ঘর থেকে উদ্ধার ব্যবহৃত গর্ভনিরোধক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০১৭, ০৫:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০১৭, ০৫:৫০

options
link
বারুইপুরে বৃদ্ধার রহস্যমৃত্যু, নিখোঁজ ২২ দিনের নাতনি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বারুইপুরের উত্তরভাগে বৃদ্ধা খুনে রহস্য ক্রমশ বাড়ছে। প্রৌঢ়ার মেয়েকে সেপটিক ট্যাঙ্কের মধ্যে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পাওয়া যায়। খোঁজ মেলেনি বৃদ্ধার ২২ দিনের নাতনির। বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ব্যবহৃত গর্ভ নিরোধক।

[জেলে সেজে জলদস্যুদের ফাঁদে ফেলল পুলিশ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সোমবার রাত আটটা নাগাদ বাড়ি ফেরেন সায়ার বেওয়ার জামাই আজিজুল। তিনি এসে দেখেন ঘরের লাইট নেভানো, দরজা খোলা। ঘর লণ্ডভণ্ড। ডাকাডাকি করেও কারও সাড়াশব্দ তিনি পাননি। এরপর আজিজুল দেখতে পান বারান্দায় রক্তের দাগ। বিপদ বুঝে প্রতিবেশীদের ডাকেন তিনি। বাড়ির চারপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। এই সময় আজিজুলের স্ত্রী মুর্শিদার গোঙানি শোনা যায়। প্রতিবেশীর বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে মুর্শিদাকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। বাড়ি লাগোয়া পানা পুকুরের পাশে মেলে বৃদ্ধার দেহ। তবে আজিজুলের ২২ দিনের শিশুকন্যার খোঁজ মেলেনি। এই ঘটনায় সেভাবে তথ্য খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে বারুইপুর থানার পুলিশের অনুমান ডাকাতি বা লুটের ঘটনা নয়, পুরনো কোনও শত্রুতার জন্য এই ঘটনা। বিভ্রান্তি বাড়িয়ে বাড়ি থেকে মিলেছে ব্যবহৃত গর্ভনিরোধক। যা পুলিশের ধন্ধ বাড়িয়েছে।

[মাথায় ঘোমটা দিয়ে এই পুজোয় বরণের ডালা তোলেন পুরুষরাই]

তবে জামাই আজিজুলের কিছু কথাবার্তা তদন্তকারীদের কাছে অসংলগ্ন ঠেকছে। আজিজুলের বয়ানের সঙ্গে অনেক কিছু মিলছে না। এক্ষেত্রে পুলিশ মনে করছে তদন্তের চাবিকাঠি হতে পারেন মুর্শিদা। কারণ তিনি একমাত্র জীবিত প্রত্যক্ষদর্শী। কিন্তু ওই মহিলা বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি। এখনও তিনি ঘটনার রেশ কাটিয়ে উঠতে পারেননি। পুলিশ এই মুহূর্তে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারছে না। মুর্শিদার বয়ান এক্ষেত্রে তদন্তকারীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুলিশ মনে করছে, দুষ্কৃতীরা মুর্শিদাকে পানা-পুকুরের পথ ধরে পাশের বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কে নিয়ে যায়। সায়রার দেহ যেখানে পাওয়া যায় তা একেবারে বাড়ির লাগোয়া। দেহ টেনে নিয়ে যাওয়ার চিহ্ন একেবারে স্পষ্ট। মনে করা হচ্ছে, ঘরের মধ্যে খুন করে বৃদ্ধার দেহ বাইরে ফেলা হয়। প্রতিবেশীরা এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের বক্তব্য বাইশ দিনের শিশুকন্যা নিখোঁজ। তার সন্ধানে পুলিশ কুকুর বা ডুবুরি আনার কথা হলেও তা আসেনি। এই নিয়ে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। অবরোধ করা হয় বারুইপুর-ক্যানিং রোডও। তবু শিশুকন্যাটির সন্ধান এখনও মেলেনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.