BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বিদ্যাসাগর মূর্তি ভাঙার ঘটনার তদন্তে গঠিত পাঁচ সদস্যের কমিটি, নেতৃত্বে স্বরাষ্ট্রসচিব

Published by: Sulaya Singha |    Posted: May 27, 2019 8:46 pm|    Updated: May 28, 2019 8:17 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার ঘটনার তদন্তে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য৷ স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি তৈরি করে দিল নবান্ন৷ স্বরাষ্ট্রসচিবের পাশাপাশি কমিটিতে রয়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার, কলকাতা পুলিশের নগরপাল অনুজ শর্মা, কলকাতা পুলিশের ইনস্পেক্টর কৌশিক দাস এবং বিদ্যাসাগর কলেজের অধ্যক্ষ। সোমবার নিজেই একথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তিনি জানান, গোটা ঘটনার নেপথ্যে কে বা কারা ছিল, এর উদ্দেশ্য কী ছিল, তার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট নবান্নে জমা দিতে হবে কমিটিকে। ইতিমধ্যেই মূর্তি ভাঙার ঘটনায় দুজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। ৩৫ জনকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ।

লোকসভা ভোটের সপ্তম তথা শেষ দফার ঠিক আগের ঘটনা। ১৪ মে কলকাতায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহর রোড শো চলাকালীন বিদ্যাসাগর কলেজে বিদ্যাসাগরের একটি মূর্তি ভাঙা নিয়ে রীতিমতো ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে। পড়ুয়ারা অভিযোগ করেন, অমিত শাহর বিরুদ্ধে স্লোগান ওঠায় মেজাজ হারিয়ে বিজেপি সমর্থকরাই এই ঘটনা ঘটান। তদন্তে নেমে প্রায় ৫০টিরও বেশি ভিডিও ফুটেজ হাতে পায় পুলিশ। যদিও ওই কলেজের কোনও সিসিটিভি ফুটেজ হাতে আসেনি। বাংলার ঐতিহ্য নষ্ট হয়েছে বলে বিজেপিকেই কাঠগড়ায় তোলে তৃণমূল। যদিও বিজেপি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে। উলটে অমিত শাহ বলেন, একাজ তৃণমূলের গুন্ডাদেরই। এবার নবান্নর তরফে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য তৈরি হল পাঁচ সদস্যের কমিটি।

[আরও পড়ুন: শোভনকে ফোন ফিরহাদের, বিজেপিকে রুখতে একজোট হওয়ার বার্তা]

এদিকে লোকসভা ভোটের শেষ দফার ঠিক আগে স্বরাষ্ট্রসচিবের পদ থেকে অত্রি ভট্টাচার্যকে সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। ভোট মিটতেই রাজ্যের নতুন স্বরাষ্ট্রসচিব করা হল আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। রাজ্যের নতুন নির্বাচন কমিশনার হলেন সৌরভ দাস।

নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর ফের পুরোদমে কাজ শুরু করে দিল নবান্ন। সোমবারই নবান্নের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হল, আরও একবার ষষ্ঠ বেতন কমিশনের মেয়াদ বাড়ানোর কথা। অর্থাৎ চলতি বছর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ল পে কমিশনের মেয়াদ। প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো পুনর্গঠনের জন্য ২০১৫ সালের নভেম্বরে গঠিত হয়েছিল ষষ্ঠ পে কমিশন। তারপর থেকে চারবার পে কমিশনের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হল। এবার মেয়াদ বাড়ল ৭ মাসের জন্য। ফের মেয়াদ বাড়ায় রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ যে বাড়ল, তা বলাই বাহুল্য।

[আরও পড়ুন: হাজিরার সময় অতিক্রান্ত, সিবিআইয়ের কাছে বাড়তি সময় চেয়ে আবেদন রাজীবের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement