Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

নারদ কাণ্ডে সিবিআই নজরে আরও ১৭ জন

এফআইআরে নাম থাকা ১৩ জনের সঙ্গে কথা বলার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০১৯, ১১:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০১৯, ১১:৪৬

options
link
নারদ কাণ্ডে সিবিআই নজরে আরও ১৭ জন zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নারদ-কাণ্ডে এফআইআর করা ১৩ জন ছাড়াও আরও ১৭ জনকে নিজেদের স্ক্যানারে নিয়ে এল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই৷ সোমবার দায়ের করা এফআইআরে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রী-সাংসদ-বিধায়ক ছাড়াও এক আইপিএস অফিসার আছেন৷ মঙ্গলবার বেলায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা অভিযুক্ত ১৩ জনের সঙ্গে কথা বলার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে৷ অন্য যে ১৭ জনকে স্ক্যানারে নিয়ে আসা হয়েছে তাঁরা কোনও না কোনওভাবে নারদ মামলার সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা৷ সিবিআইয়ের বক্তব্য, এঁদের মধ্যে কয়েকজন আবার প্রভাবশালী৷ সিবিআইয়ের এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে ইতিমধ্যে অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ নেতামন্ত্রীদের বিরু‌দ্ধে এফআইআরের খবর আসার প্রতিক্রিয়ায় তিনি সোমবার নবান্নে বলেন, “এফআইআর করলেই দোষী প্রমাণিত হয় না৷ চিন্তা করার কোনও কারণ নেই৷ এটা রাজনৈতিক খেলা৷ রাজনৈতিকভাবেই এর মোকাবিলা করব৷”

[লন্ডনে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের হাতে গ্রেপ্তার বিজয় মালিয়া]

মঙ্গলবার বেলায় সিবিআই আধিকারিকরা নারদ তদন্ত নিয়ে বৈঠকে বসেন৷ অভিযুক্তদের বয়ান রেকর্ড করা হবে কি না তা নিয়ে আলোচনা হয়৷ প্রাথমিক তদন্ত শেষ করতে একমাস সময় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট৷ তৃণমূলের ১২ নেতা-মন্ত্রী-সাংসদ-বিধায়ক ও এক আইপিএস অফিসারের বিরু‌দ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে সিবিআই৷ ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনের আগে নারদ স্টিং ফুটেজ প্রকাশ্যে আসতেই হইচই পড়ে যায়৷ এই ঘটনায় জাতীয় রাজনীতিও তোলপাড় হয়৷ ফুটেজের ছবি তুলে ধরে প্রচার করে বিরোধীরা৷ কিন্তু সেই প্রচার যে কাজে আসেনি তার প্রমাণ, যে সমস্ত মন্ত্রী ও বিধায়কদের বিরু‌দ্ধে ফুটেজ দেখিয়ে প্রচার হয়েছিল তাঁরা সকলেই বিপুল ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন৷ বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় পায় তৃণমূল কংগ্রেস৷ বিরোধীদের প্রচার যে সাধারণ রাজ্যবাসীর মনে দাগ কাটেনি সেটা বিধানসভা ভোটের ফলেই স্পষ্ট হয়ে যায়৷ এফআইআর দায়েরের পর সিবিআইয়ের তরফে দাবি করা হয়, এফআইআরে যাঁদের নাম রয়েছে তাঁরা ছাড়াও আরও কিছু ব্যক্তি নারদ মামলায় কোনও না কোনওভাবে জড়িত৷

Advertisement

[মন্দির-মসজিদে বন্ধ হোক লাউডস্পিকার, ফের সরব সোনু]

এফআইআরে নাম রয়েছে সাংসদ মুকুল রায়, সৌগত রায়, কাকলি ঘোষদস্তিদার, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, সুলতান আহমেদ, অপরূপা পোদ্দারের৷ এছাড়াও রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী, ফিরহাদ হাকিম, প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্র, বিধায়ক ইকবাল আহমেদ ও আইপিএস অফিসার এসএমএইচ মির্জার নাম আছে৷ অভিযুক্তদের বিরু‌দ্ধে দুর্নীতি দমন আইনের ৭ নম্বর ধারা (জনপ্রতিনিধি হিসাবে ঘুষ নেওয়া) ও ১৩ নম্বর ধারা (জনপ্রতিনিধি থাকাকালীন অপরাধমূলক আচরণ) প্রয়োগ করা হয়েছে৷ এছাড়াও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০বি ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে৷ গত ১৮ মার্চ এই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাই কোর্ট৷ সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে আলাদা আলাদাভাবে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেস৷ শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি জে এস খেহরের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ হাই কোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে৷ এর পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্ট তদন্তের সময়সীমা ৭২ ঘণ্টা থেকে বাড়িয়ে এক মাস করে দেয়৷ বিরোধীরাও ইতিমধ্যে সিবিআইয়ের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে৷

[যোগীর দাওয়াইয়ে চাঙ্গা পুলিশ, ৩ দিনে উদ্ধার ২৭ নাবালিকা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.