স্টাফ রিপোর্টার: একবার-দু’বার নয়। ভিড়ের চাপে মেট্রোর দুই পাল্লা জোড়া লাগাতে চালককে চেষ্টা করতে হল চার থেকে পাঁচ বার। ফলে প্রতি স্টেশনেই ট্রেন দাঁড়ল নির্দিষ্ট সময়ের থেকে বেশ কিছুক্ষণ বেশি। ফলে যা হওয়ার তাই হল। সপ্তাহের প্রথম দিনের সকালেই বেশ কিছুক্ষণ দেরিতে চলল মেট্রো। একটি মেট্রো দেরিতে চলার মানেই, বাকি ট্রেনও লেট।যার ফলে ভুগলেন যাত্রীরা। মেট্রো কর্তৃপক্ষের দাবি, ভিড়ের চাপ দিন দিন বাড়ছে। সে কারণেই দরজা বন্ধ হতে সমস্যা হচ্ছে। হচ্ছে দেরিও।
[আরও পড়ুন: শাসকদলের বিরুদ্ধে দিল্লিতে অভিযোগ, ‘শহিদ’ পরিবার নিয়ে রাজধানীর পথে বঙ্গ বিজেপি]
যাত্রীদের দাবি, ট্রেনের ট্রিপ না বাড়ালে এই পরিস্থিতি হবেই। সকালে প্রত্যেকেরই অফিস যাওয়ার তাড়া থাকে। প্রত্যেকেই চান যে কোনও উপায়ে ট্রেনের ভিতরে ঢুকতে। কিন্তু অনেক সময়ই ট্রেনে এতটাই ভিড় থাকে যে ওঠা সম্ভব হয় না। তাই জোর করে উঠতে চান যাত্রীরা। তাঁদের বক্তব্য, একটা ট্রেন ছাড়ার পরও পরের ট্রেন যে ফাঁকা পাব, তেমনটা নয়। তাই কোন ভরসায় দাঁড়িয়ে থাকব! কিন্তু রেকের সংখ্যা না বাড়ালে যে তা সম্ভব নয়, তা বিলক্ষণ জানে কর্তৃপক্ষও। তারাও মানছে, সজল কাঞ্জিলালের দুর্ঘটনার পরও ব্যস্ত সময়ে যে পরিস্থিতি বদলেছে তেমনটা নয়। কিন্তু জরিমানার কথা বলে মানুষের মধ্যে ঝুঁকি নেওয়ার অভ্যাসে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু আসল সমস্যা ট্রিপের। যে সংখ্যক যাত্রী ট্রেনে উঠছেন, তাতে ট্রিপ বাড়ানোটাই একমাত্র রাস্তা।
[আরও পড়ুন: বহুতল থেকে ঝাঁপ দিয়ে মৃত্যু তরুণীর, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশায় পুলিশ]
সর্বশেষ খবর
-
অন্ধভক্তির চেনা প্রেক্ষাপটে রুখে দাঁড়ানোর কাহিনি, কেমন হল ‘হুঙ্কার: দ্য রোর’?
-
রামায়ণের রাজা জনকের কুলদেবী এই দুর্গা, নেপালের মন্দিরে পুজো হয় তন্ত্র মতে, কেন জানেন?
-
সরকারি চাকরি পেয়েছে বন্ধুরা! অবসাদে চরম সিদ্ধান্ত ‘বেকার’ তুফানের
-
এশিয়াড সেলিংয়ে রুপো থেকে স্কোয়াশে ব্রোঞ্জ, দ্বাদশ দিনের শেষে পদক তালিকায় কোথায় ভারত?
-
শিরে সংক্রান্তি নেপালের! ৪ হিমবাহ হ্রদের জল কমানোর কাজ শুরু, বিপজ্জনক আরও ১৭