২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

স্টাফ রিপোর্টার: সপ্তাহের শুরু, বছরেরও শুরু। তবে এক তারিখে একলা নয়! মাঠে, ময়দানে, চিড়িয়াখানা, ভিক্টোরিয়া, পার্ক, নিকো পার্ক, কাশীপুরে বাঙালি ছিল সপরিবারে।

বর্ষবরণের হুল্লোড় ছেড়ে মাঝরাতে বাড়ি ফিরে চোখ লেখেছিল সবে। সকালের অ্যালার্ম বাজতেই লেপ, কম্বল ছেড়ে উঠে পড়েছে সকলে। “আজতো তো বছরের প্রথমদিন। আলসেমির সময় কই?” রাতের হ্যাংওভার কাটিয়ে হইচইয়ে মেতেছে টালিগঞ্জ থেকে টালা। বারুইপুর থেকে বেহালা। পূর্ব কলকাতার ইকো পার্ক, নিকো পার্ক থেকে আলিপুর চিড়িয়াখানায় কাতারে কাতারে ঢল নেমেছে মানুষের। ভিক্টোরিয়া, ময়দানে ফরাস পেতে পিকনিক করতেও এসেছেন অনেকে।

[মিনারেল ওয়াটারের নামে সাধারণ জল, অসাধু চক্রের পর্দাফাঁস]

কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩১ ডিসেম্বর রাতে র‌্যাশ ড্রাইভিং, বেআইনিভাবে গাড়ি চালানো, রাস্তায় অভব্য আচরণ করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৩৯ জনকে। আটক করা হয়েছে বেশ কয়েকটি গাড়ি। রাত বারোটার পরেও সোমবারও শহরের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় পুলিশি প্রহরা চোখে পড়ার মতো। রাস্তায় প্রতি ২০০ মিটার দূরত্বে মোতায়েন ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা। রয়েছে কুইক রেসপন্স টিম। পার্ক স্ট্রিট-সহ শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ওয়াচটাওয়ার থেকে শ্যেন দৃষ্টি রাখছেন কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা। ব্রেথ অ্যানালাইজার দিয়ে ঘনঘন টেস্ট করছেন ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা।

সকাল থেকেই পার্কে পার্কে মানুষের ঢল
সকাল থেকেই পার্কে পার্কে মানুষের ঢল

বর্ষশেষের রাতে শহরে সারারাত চলেছে সরকারি বাস। মেট্রো চলেছে রাত সাড়ে বারোটা পর্যন্ত। মাঝরাত পর্যন্ত শহরের রাস্তায় জনতার ঢল থাকলেও, শক্ত হাতে যানজট সামলেছেন ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা। তবে শেষদিনে আশানুরূপ ভিড় ছিল না পার্ক স্ট্রিটে। সাহেবপাড়ার ভিড়ে ঠাসা চেনা ছবি কীভাবে বদলে গেল? আসলে চেনা ছক বদলে এবছর বর্ষশেষের পার্টি বসেছিল শহরের একাধিক বহুতলের ছাদেই। বেহালা থেকে যাদবপুর, গিরিশপার্ক, যোধপুর পার্কের একাধিক বহুতলের ছাদে শোনা গিয়েছে গেলাসের টুং টাং শব্দ।

বছরের প্রথম দিন কল্পতরু উৎসব উপলক্ষে ভিড় উপচে পড়েছে কাশীপুর উদ্যান বাটিতে। এদিনই কল্পতরু হয়েছিলেন শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস। ইচ্ছাপূরণের দিনে মন ভরে কিছু চাইলেই পাওয়া যায়। অপার বিশ্বাসে ফুলের ডালা হাতে কাতারে কাতারে মানুষ এসেছেন দক্ষিণেশ্বরে, বেলুর মঠেও। বেলা বাড়তে ভিড় বেড়েছে জয়রামবাটি, কামারপুকুরেও। শুভদিনে ঘর ছেড়ে বেড়িয়ে পড়েছিলেন পুণ্যার্থীরা। চিড়িয়াখানায় বাঘের খাঁচার সামনে দীর্ঘ অপেক্ষার লাইন ছিল। ইকো পার্কে সপ্তম আশ্চর্যের সামনে সেলফি তোলার তাড়া ছিল। ছিল প্রিন্সেপ ঘাটে নৌকায় উঠে প্রথম সূর্যোদয় দেখার বায়না। শুরুর দিনেই বাঙালি জানান দিল, বছর যেমনই কাটুক, সেলিব্রেশনে কোনও খামতি থাকবে না।

[যাদবপুরে শোরগোল, তান্ত্রিকের নাম করে গয়না ও নগদ টাকা লুট]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং