Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Anurag Thakur

‘রাজনৈতিক হিংসার জেরেই বাংলায় নেই বিনিয়োগ’, তোপ অনুরাগ ঠাকুরের, পালটা তৃণমূলের

'কেন্দ্রের রিপোর্ট পড়ে দেখুন', অনুরাগকে বার্তা কুণাল ঘোষের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৩, ১১:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৩, ১১:৩৮

options
link
‘রাজনৈতিক হিংসার জেরেই বাংলায় নেই বিনিয়োগ’, তোপ অনুরাগ ঠাকুরের, পালটা তৃণমূলের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজনৈতিক হিংসার বাড়বাড়ন্তের কারণেই বাংলায় বিনিয়োগ আসছে না। কলকাতায় একদিনের ঝটিকা সফরে এসে তৃণমূল কংগ্রেসকে (TMC) নিশানা করে এই মন্তব‌্য কেন্দ্রীয় তথ‌্য সম্প্রচার, ক্রীড়া ও যুবকল‌্যাণ রাষ্ট্রমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের (Anurag Thakur)। যদিও তাঁর এই কথাকে কোনও গুরুত্বই দেয়নি তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন দুপুরে সরকারি কর্মসূচিতে কলকাতায় আসেন অনুরাগ ঠাকুর। বিমানবন্দর থেকে সল্টলেকের সাই কেন্দ্রে ঘুরে বিকেলে উত্তর কলকাতার বিবেকানন্দ রোডে স্বামী বিবেকানন্দের বাসগৃহে যান তিনি।

সেখানে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সংবাদ মাধ‌্যমের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু (Netaji Subhas Chandra Bose), স্বামী বিবেকানন্দ, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ‌্যায়ের মতো মহান ব্যক্তিরা এই বাংলার (West Bengal) মাটিতে জন্ম নিয়েছেন। গোটা দেশকে এঁরা প্রেরণা জোগান। কিন্তু সেই বাংলার ভাবমূর্তি এখন পাল্টে গিয়েছে। এখানে হিংসার বাড়বাড়ন্ত চলছে। ‘‘বাংলায় সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা নেই। সংবাদ মাধ্যমের ওপরে হামলা হচ্ছে। সাংবাদিকদের মুখ বন্ধ করা হচ্ছে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির উপর হামলা করা হচ্ছে। গণতন্ত্রের উপর এভাবে হামলা করা ঠিক নয়।’’ অভিযোগ কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রীর।

Advertisement

[আরও পড়ুন: নেতাজির লক্ষ্যেই এগোচ্ছে আরএসএস! শহিদ মিনারের অনুষ্ঠানে ভারত গঠনের ডাক ভাগবতের]

তাঁর কথায়, এখানে নির্বাচনের পর হিংসার হাত থেকে বাঁচতে মানুষকে নিজের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে হয়েছে। এই সব ঘটনায় দেশে বাংলার ছবি খারাপ হচ্ছে এবং বাংলায় বিনিয়োগ আসছে না। যার প্রভাব পড়ছে মানুষের রোজগারে। ‘‘মমতা দিদির কাছে অনুরোধ, এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।’’ বলেন অনুরাগ। যদিও অনুরাগ ঠাকুরের কথাকে গুরুত্বই দিতে চায়নি তৃণমূল। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ ‘সস্তার রাজনীতি করার চেষ্টা’ বলে আখ্যা দিয়ে বলেন, “অনুরাগ ঠাকুরকে বলব কেন্দ্রের রিপোর্টগুলো পড়ে নিন।”

স্বামী বিবেকানন্দের বাড়িতে এসে এদিন সেখানকার মহারাজদের সঙ্গে কথা বলেন কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী। বিবেকানন্দ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ঘুরে দেখেন। স্বামীজির বেশ কিছু বই উপহার দেওয়া হয় তাঁকে। অনুরাগ বলেন, তিনি তো বটেই, দেশের যুবসমাজের কাছে বিবেকানন্দ আজও প্রেরণার উৎস। একইভাবে বাংলার মাটি তাঁকে প্রেরণা দেয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

[আরও পড়ুন: বদলায়নি ফোর্ট উইলিয়ামের ‘নেতাজি সেল’, এখনও জনপ্রিয় সুভাষচন্দ্রের শেষ কারাগারটি]

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.