Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

ক্যানসারে মৃত্যু নোয়াপাড়ার কংগ্রেস বিধায়ক মধুসূদন ঘোষের

অন্য দলের কাছেও ছিল তাঁর গ্রহণযোগ্যতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০১৭, ০৮:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০১৭, ০৮:৩৫

options
link
ক্যানসারে মৃত্যু নোয়াপাড়ার কংগ্রেস বিধায়ক মধুসূদন ঘোষের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রয়াত হলেন নোয়াপাড়ার বিধায়ক মধুসূদন ঘোষ। ক্যানসারের চিকিৎসা চলছিল তাঁর। শুক্রবার ভোররাতে কংগ্রেস বিধায়কের মৃত্যু হয়। বয়স হয়েছিল ৭৯। মৃত্যুর আগে অকৃতদার মানুষটি তাঁর দেহ চিকিৎসাশাস্ত্রের গবেষণার জন্য দান করে যান। জনপ্রিয় এই রাজনীতিকের প্রয়াণে নোয়াপাড়ার বাসিন্দারা শোকাহত।

MLA-DIED-2

Advertisement

দীর্ঘদিনের কংগ্রেসি মধুসূদন ঘোষ। উত্তর ২৪ পরগনার নোয়াপাড়া বিধানসভা এলাকায় তাঁর দীর্ঘদিন প্রভাব ছিল। ওই এলাকার মধ্যে রয়েছে উত্তর ব্যারাকপুর মিউনিসিপ্যালিটি।  ওই পুরসভায় তিনি ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। এমনকী ২০১৫ পর্যন্ত তিনি পুরসভার বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব সামলেছেন। সব মিলিয়ে ৫০ বছর তিনি ছিলেন উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার অপারেজয় কাউন্সিলর। ওই পুর এলাকার প্রায় প্রত্যেক ভোটারের সঙ্গে তাঁর ছিল নিবিড় যোগাযোগ। প্রায় পাঁচ দশকের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছেন পুর প্রশাসনে। তৃণমূলের দাপটের মধ্যেও গত বিধানসভা নির্বাচনে তিনি জোট প্রার্থীর হয়ে জিতেছিলেন। তৃণমূল প্রার্থী মঞ্জু বসুকে ১০৯৫ ভোটে হারিয়েছিলেন এই কংগ্রেস প্রার্থী। অন্য দল করলেও শাসক দলের কর্মীরাও এই দক্ষ রাজনীতিককে সম্মান করতেন। পাশাপাশি তাঁর অতি সাধারণ জীবনযাপন অন্যদের কাছে দৃষ্টান্ত ছিল। সাইকেলে ফতুয়া, পায়জামাতে তাঁকে দেখতে অভ্যস্ত নোয়াপাড়াবাসী। দু চাকায় চেপে এই পোশাকে তিনি মানুষের কাছে পৌঁছে যেতেন। পুর পরিষেবার খবর নিতেন।

[অমানবিক! সংজ্ঞাহীন বাসচালকের পকেট থেকে চুরি গেল মোবাইল, ১২ টাকা]

অকৃতদার ছিলেন মধুসূদনবাবু। বেশ কিছু দিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। রাজারহাটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর ক্যানসারের চিকিৎসা চলছিল। শুক্রবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ মৃত্যু হয় এই রাজনীতিকের। মৃত্যুর অনেক আগেই তিনি তাঁর দেহ চিকিৎসাশাস্ত্রে গবেষণার জন্য দান করে যান। তাঁর মৃতদেহ এসএসকেএম-এর অ্যানাটমি বিভাগে দান করা হবে। তাঁর ইচ্ছামতো চোখ দুটিও একটি সংস্থাকে দান করা হয়েছে। সম্প্রতি মৃত্যু হয় প্রবীণ কংগ্রেস নেতা জ্ঞানসিং সোহনপালের। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন আরও এক গ্রহণযোগ্য নেতাকে হারাল কংগ্রেস।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.