ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডের (Camac Street Incident) জল গড়িয়েছে সুপ্রিম দরবারে। ভবন খালি করার নির্দেশ দিয়ে পুরসভা থেকে দমকলের পরপর নোটিস যাচ্ছে অভিষেকের অফিসে। বিলবোর্ড খুলতে গিয়ে পুরসভা, পুলিশকে হেনস্তার অভিযোগে আগেই ডেরেক, বৈশ্বানরদের নোটিস পাঠানো হয়েছে। এবার ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে প্রাক্তন আইপিএস ডেবরার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে (Humayun Kabir) নোটিস ধরাল পুলিশ। জানা গিয়েছে, এর আগেও দু’বার নোটিস দিতে গিয়ে তাঁর বাড়ি থেকে ফিরতে হয় পুলিশকে। রবিবার সাত সকালে ফের হুমায়ুনের দরজায় কড়া নাড়ে পুলিশ।
পুলিশ আধিকারিকরা জানান, ৯ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে হাজিরা দিতে হবে শেক্সপিয়র সরণি থানায়।
আরও পড়ুন:
রবিবার সকালে পুলিশ আধিকারিকরা গিয়ে দীর্ঘক্ষণ তাঁর বাড়ির দরজায় ডাকাডাকি করেন। বেশ কিছুক্ষণ পর বাড়ির ভিতর থেকে বেরিয়ে আসেন এক কর্মী। তাঁর হাতেই নোটিস ধরিয়ে পুলিশ আধিকারিকরা জানান, ৯ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় তাঁকে হাজিরা দিতে হবে শেক্সপিয়র সরণি থানায়। পুলিশ কর্মীরা রওনা দিতে যাওয়ার সময় গাড়িতে উঠতেই পুলিশ আধিকারিকদের হুমায়ুনের বাড়ির ওই কর্মী জানান, নির্দিষ্ট দিনে তিনি হাজিরা দেবেন থানায়।
ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডের সূত্রপাত ২৭ আগস্ট। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে লাগানো বিলবোর্ড খোলা নিয়ে ধুন্ধুমার বাধে। ওই অফিসে থাকা নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তিও হয় একপ্রস্থ। অভিযোগ, অভিষেকের অফিসে ঢুকতে গেলে কলার ধরে পুলিশকে মারধর করা হয়। বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী সিঁড়িতে পড়ে যান বলেই খবর। পুরকর্মীদেরও বারবার বাধা দেওয়া হয়। সেই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ ডেরেক, বৈশ্বানর, হুমায়ুনদের বিরুদ্ধে। এবার সেই ঘটনাতেই ৯ সেপ্টেম্বর হুমায়ুন কবীরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় শেক্সপিয়র সরণি থানা। মঙ্গলবারই একই মামলায় ডেরেক ও’ব্রায়েনকেও ফের তলব করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূলের পার্টি অফিস ছেড়ে দেওয়ার নোটিসে কলকাতার সিটি সিভিল কোর্ট অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিলেও পার্টি অফিস ব্যবহার নিয়ে ফের প্রশ্ন চিহ্ন তৈরি হয়েছে দমকলের দেওয়া নোটিসে। আপাতত ওই জায়গায় পার্টি অফিস ব্যবহার করা যাবে না বলেই মত আইনজীবীদের। তৃণমূলের আইনজীবী আর্ক কুমার নাগ জানান, গত ২৫ আগস্ট ক্যামাক স্ট্রিটের সপ্তম এবং অষ্টম তলায় তৃণমূলের পার্টি অফিস ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ছেড়ে দেওয়ার নোটিস দেয় বাড়ির মালিক। শনিবার সেই নোটিসে স্থগিতাদেশ দেয় কলকাতার সিটি সিভিল কোর্ট। কিন্তু আইনজীবী মহলের মতে, তাতেও তৃণমূলের পার্টি অফিস ব্যবহারের আইনি জট কাটেনি। এরই মধ্যে দমকলের তরফে জানানো হয়েছে, পর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে জায়গাটি এখন অত্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। ফলে ভবনের ভিতরে ও আশেপাশের মানুষের জীবনে বড়সড় বিপদ ঘটতে পারে। তাই অবিলম্বে ওই অংশগুলি খালি করতে হবে। নতুন করে শংসাপত্র না-পাওয়া পর্যন্ত ওই জায়গা ব্যবহার করা যাবে না।
সর্বশেষ খবর
-
EXCLUSIVE: বিয়ের পিঁড়িতে মিমি চক্রবর্তী! কাকে জীবনসঙ্গী বাছছেন টলি নায়িকা?
-
মোবাইলে নেটওয়ার্কের সমস্যা, টেলিকম কর্মীকে ধরে টাওয়ারে বেঁধে রাখল গ্রামবাসী!
-
মমতার জোটের ডাক উপেক্ষা! উপনির্বাচনে নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা কংগ্রেসের
-
আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বারাকপুরে বিজেপি নেতার বাড়ির সামনে রেইকি ৩ যুবকের! পুলিশের জালে ১
-
রাজ্যজুড়ে সক্রিয় ভুয়ো চিকিৎসক চক্র! ২ চিকিৎসককে কাঠগড়ায় তুলে স্বাস্থ্যদপ্তরে চিঠি