৩ শ্রাবণ  ১৪২৬  শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রথমে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের মেয়ে সাব্বা হাকিম৷ তারপর মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো আবেশ বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এবার এনআরএস কাণ্ডে মুখ খুললেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে চিকিৎসক বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার৷ নাম না করে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করলেন তিনি৷ বৃহস্পতিবার এসএসকেএম হাসপাতালে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, সিপিএম-বিজেপি মিলে চিকিৎসকদের উসকানোর কাজ করছে৷ ফেসবুক পোস্টে এরও বিরোধিতা করেন বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার৷ জানান, একটি অরাজনৈতিক আন্দোলনে যুক্ত থাকা চিকিৎসকদের গায়ে কিছু মানুষ রাজনৈতিক রঙ লাগানোর চেষ্টা করছে৷

[ আরও পড়ুন: ‘উনি শুধু তৃণমূলের নন, গোটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী,’ মমতাকে তোপ অগ্নিমিত্রার]

চারদিন আগে এনআরএসের মতো খ্যাতনামা হাসপাতালে যেভাবে একজন ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধর করা হয়েছে, বিষয়টির নিন্দা করেন চিকিৎসক বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার৷ স্পষ্ট ভাষায় জানান, তৃণমূলের কোনও কর্মী বা সমর্থক একাজের সঙ্গে যুক্ত থাকলে বা চিকিৎসকদের বিরোধিতা করে থাকলে, সেকারণে তিনি লজ্জিত৷ প্রতিবাদ বার্তায় কটাক্ষের সুরে তিনি বলেন, ‘‘২০০ জন উর্দুভাষি ছাগল সরকারি হাসপাতালে ঢুকে ২৩ বছরের একজন চিকিৎসককে পেটালো৷ কিন্তু ২০০ জন অপরাধির মধ্যে মাত্র ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হল৷ ডাক্তাররা এরাজ্যে নিরাপদ নয়৷ এসব কখনই মেনে নেওয়া যায় না৷’’ তিনি অভিযোগ করেন, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে মহিলাদের উপর অত্যাচার চালানো হয়েছে৷ মহিলাদের গোপনাঙ্গ দেখানো হয়েছে৷ তাঁদের অ্যাসিড হামলার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে৷ যদিও পরে এই পোস্টটি তুলে নেন বা পোস্টটিকে এডিট করেন তিনি৷ কারণ পরে তাঁর ফেসবুক ওয়ালে অন্য একটি পোস্ট দেখতে পাওয়া যায়৷ যাতে ঘটনার নিন্দা করা হলেও, সরকারকে আক্রমণ করা হয়নি৷ আক্রমণের ঝাঁজও যাতে অনেক কম৷ 

[ আরও পড়ুন: NRS কাণ্ডে এবার মুখ খুললেন দেব, সমস্যা সমাধানে বার্তা সাংসদের ]

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো আবেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ও যান নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে অবস্থানে শামিল হন তিনি। একাধিক মিছিলেও নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। একই ভাবে ডাক্তারদের পাশে দাঁড়ান ফিরহাদকন্যা সাব্বা হাকিম। ঘটনার বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা যায় তাঁকে৷ যদিও মেয়ের মতামত নিয়ে বাবা পুরমন্ত্রীকে মুখ খুলতে দেখা যায়নি৷ তবে সেই ফেসবুক পোস্ট নিয়ে মুখ খোলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ছোটদের স্বাধীনতায় আমি হস্তক্ষেপ করি না। তাদের নিজস্ব মতামত থাকতেই পারে। তবে আমার মনে হয় ও ইমোশনাল হয়ে লিখেছে।”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং