Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
Calcutta High Court

শর্তসাপেক্ষে পাকিস্তানি মহিলাকে হুগলিতে থাকার অনুমতি হাই কোর্টের

তিহার জেল নয়, হুগলিতে পরিবারের সঙ্গে পাক মহিলাকে থাকার নির্দেশ আদালতের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৯, ২০২৪, ২১:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৯, ২০২৪, ২১:৩৫

options
link
শর্তসাপেক্ষে পাকিস্তানি মহিলাকে হুগলিতে থাকার অনুমতি হাই কোর্টের zoom
প্রতীকী ছবি।

গোবিন্দ রায়: ভিসার মেয়াদ শেষের পরও ভারতে থেকে গিয়েছিলেন পাকিস্তানি মহিলা। যার জেরে দীর্ঘদিন জেলবন্দি থাকার পর অবশেষে মুক্তি পেলেন মনোয়ারা বেগম নামে ওই পাক নাগরিক। শর্তসাপেক্ষে তাঁকে মুক্তি দিল কলকাতা হাই কোর্ট। পাশাপাশি তিনি নিজের বর্তমান স্থায়ী ঠিকানা হুগলির চণ্ডীতলার বাড়িতে থাকতে পারবেন বলে জানিয়েছেন হাই কোর্টের বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য।

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০১ সালে ভারতে এসেছিলেন মনোয়ারা বেগম। কিন্তু ভিসার মেয়াদ শেষ হলেও দেশে না ফেরায় পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। গত ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে শাস্তির মেয়াদ শেষ হলেও জেলে থেকে যান মনোয়ারা। বর্তমানে তিহার জেলেই রয়েছেন তিনি। বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেতে এরপর বাধ্য হয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন মনোয়ারা। আদালতে তাঁর আবেদন, চণ্ডীতলার বাড়িতে তাঁর পরিবার রয়েছে। তিনি মেয়াদ শেষে অযথা জেলে না থেকে পরিবারের সঙ্গে থাকতে চান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বরানগর উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকাই, ভগবানগোলায় কে?]

যদিও আদালতে রাজ্য ও কেন্দ্রের দাবি, নিয়ম মত মেয়াদ শেষে তাঁকে পাকিস্তানে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান তাঁকে নিজের দেশের নাগরিক হিসাবে ফেরত নিতে অস্বীকার করায় এই প্রক্রিয়ায় দেরি হচ্ছে। তাই তিহারে জেলবন্দি হিসেবে নয়, বিদেশি নাগরিক হিসাবেই জেলে পৃথকভাবে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে ওই পাক নাগরিকের।

[আরও পড়ুন: আসানসোলে এখনও প্রার্থী দেয়নি বিজেপি, ‘গড়’ রক্ষায় ‘একা কুম্ভ’ জিতেন্দ্র তেওয়ারি]

এই মামলায় আদালতের মত, একজন ব্যক্তির স্বাধীনতা বা ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনও কাজ করা সঠিক নয়। তাই সাজা শেষ হয়ে যাওয়ায় পাকিস্তানি নাগরিক হলেও তিনি নিজের ঠিকানায় থাকতে পারবেন। তবে এদেশে থাকার শর্ত সাপেক্ষে আদালতের নির্দেশ, তিনি জেলা ছেড়ে বাইরে যেতে পারবেন না এবং সপ্তাহে একদিন স্থানীয় থানায় গিয়ে তাঁকে হাজিরা দিয়ে আসতে হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.