সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সময় কম, চলছে অশান্তি, বাধা দেওয়া। এমনই হাজারও অভিযোগ উঠেছে পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) মনোনয়ন পর্বে। আর বিরোধীদের সেই অভিযোগের যে বিশেষ ভিত্তি নেই, তাও বোঝা গেল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্যে। মনোনয়নের (Nomination) সময় শেষ হয়ে গিয়েছে বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিরোধীদের দেওয়া মনোনয়নের সংখ্যা নেহাৎ কম নয়। তার মধ্যেও অবশ্য বাম-কংগ্রেসের থেকে মনোনয়নে পিছিয়ে বিজেপি। গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদে সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন রয়েছে তৃণমূলেরই (TMC)। এছাড়া কেজরিওয়ালের আপ, নির্দল প্রার্থীরাও মনোনয়ন জমা দিয়েছে।
রাজ্য নির্বাচন কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, জেলা পরিষদে (Zilla Parishad) তৃণমূলের প্রার্থী সংখ্যা ১০৭৯। সামান্য পিছিয়ে বিজেপি দিয়েছে ১০৫৮জন প্রার্থী। বাম ও কংগ্রেস মিলিয়ে প্রার্থী জমা পড়েছে ১৬৩৭টি মনোনয়ন। আপের প্রার্থী সংখ্যা শূন্য। আর নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৪০৭ জন।
[আরও পড়ুন: প্রবল বৃষ্টিতে উত্তর সিকিমের রাস্তায় ধস, বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ, আটকে প্রায় দু’হাজার পর্যটক]
পঞ্চায়েত সমিতিতে (Panchayat Samiti) তৃণমূলের মনোনয়ন সংখ্যা ১১৫২৭। বাম-কংগ্রেসের তরফে জমা পড়েছে ১০৪৬৪ টি মনোনয়ন। বিজেপির ৮৮৮২ এবং ২৭২৯ জন নির্দল প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। ৪ আপ প্রার্থীও জমা দিয়েছেন মনোনয়ন।
[আরও পড়ুন: মনোনয়নে নিরাপত্তা দিতে ‘ব্যর্থ’ পুলিশ, ভাঙড় ও বসিরহাট নিয়ে রিপোর্ট তলব হাই কোর্টের]
গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে তৃণমূল ৭৩২১১ জন প্রার্থী দিয়েছে। বাম-কংগ্রেসের তরফে জমা পড়েছে ৫৫৮৯০টি মনোনয়ন। ৪৬৩৮১ মনোনয়ন দিয়েছে বিজেপি (BJP)। নির্দলের তরফে ১৩১৫৭ টি মনোনয়ন জমা পড়েছে। আপের তরফে ৯ জন গ্রাম পঞ্চায়েতের মনোনয়ন দাখিল করেছেন। উল্লেখ্য, এবারও বিজেপির তুলনায় বাম-কংগ্রেস জোট তিনটি স্তরেই অনেক বেশি প্রার্থীদের দাঁড় করিয়েছে। বিজেপি থমকে গিয়েছে ৫৬ হাজার তিনশোর আশেপাশে।
সর্বশেষ খবর
-
জন্ম থেকে দলের ‘মালিকানা’ বদল, মমতার তৃণমূলের ২৮ বছরের ইতিবৃত্ত
-
জিনিয়াস স্পোর্টস নয়, আইএসএল আয়োজনের অধিকার খুব সম্ভবত পেতে চলেছে ক্লাবগুলি
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়