নব্যেন্দু হাজরা: রাজ্যের পঞ্চায়েতের বর্তমান ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের জন্য বড় সুখবর। এবার সরকারের অন্যান্য কর্মচারীদের মতো তাঁরাও রাজ্য সরকারের ক্যাশলেস স্বাস্থ্যবিমার আওতায় আসতে চলেছেন। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত ছাড়পত্র পেয়েছে বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে উপকৃত হবেন অন্তত ৫০ হাজার সরকারি কর্মী।
সরকারি কর্মচারী সংগঠনের আবেদনের ভিত্তিতে এপ্রিল মাসে পঞ্চায়েত কর্মীদের স্বাস্থ্যবিমার আওতায় আনার ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমানে রাজ্যে সরকারের অধীনে পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদ মিলিয়ে মোট কর্মীর সংখ্যা ৩০ হাজার। অবসরপ্রাপ্ত কর্মী ২০ হাজার। এবার থেকে এই ৫০ হাজার কর্মী ক্যাশলেস চিকিৎসা বিমার সুবিধা পাবেন।
[আরও পড়ুন: বছরভর রোনাল্ডোর শাসন, কেন-এমবাপেকে ছাপিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা পর্তুগিজ মহানায়ক]
বুধবার ছিল মন্ত্রিসভার বৈঠক। সেখানে একাধিক বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের একাধিক দপ্তরে নতুন নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া জানিয়েছেন নতুন সিদ্ধান্তের কথা।
- ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের জেলা অফিসে ৪২৭ জন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর নিয়োগ করা হবে।
- উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সদ্যোজাতদের জন্য SNCU-এ ৪০ টি বেড বাড়ানো হয়েছে। ়
- পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২৬টি নতুন পদ তৈরি করা হয়েছে। সেখানে নিয়োগ করা হবে।
- ডোমেদের নতুন নাম-সৎকার কর্মী।
- চা সুন্দরী প্রকল্পে এতদিন চা শ্রমিকদের বাড়ি করে দিত রাজ্য সরকার। কিন্তু এবার থেকে আর বাড়ি বানিয়ে দেওয়া হবে না।
- তাঁদের হাতে জমির পাট্টা দেওয়া হবে। সঙ্গে বাড়ি বানানোর জন্য তিন ধাপে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। নিজেদের ইচ্ছেমতো বাড়ি বানিয়ে নিতে পারবেন তাঁরা।
[আরও পড়ুন: শুরু আইপিএলের প্রধান স্পনসর খোঁজার প্রক্রিয়া, চিনা সংস্থাকে ফের ব্রাত্য করছে বোর্ড]
সর্বশেষ খবর
-
‘বিজেপির দরজা বন্ধ, তাতেই দলটা…’, তৃণমূলের ভাঙনে অভিষেকের ‘দরজা’ মন্তব্য মনে করালেন দিলীপ
-
চালকল সিন্ডিকেটের ‘অঘোষিত সম্রাট’,কোটি কোটি টাকা আত্মসাতে গ্রেপ্তার অনুব্রতর ‘ছায়াসঙ্গী’
-
এবার কলকাতা পুরসভাতেও ‘নতুন তৃণমূল’, কানন-স্নেহে ‘ছোট লালবাড়ি’র রাশও হারাবেন মমতা!
-
সিএবির সাপোর্ট ছাড়া একশো ম্যাচ খেলতে পারত? ‘প্রতিভাহীন’ সৌরাশিসকে পালটা কোষাধ্যক্ষের
-
তৃণমূলের হাতছাড়া বিধাননগর পুরনিগমও! ইস্তফা দিলেন মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী