Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
পোলবা দুর্ঘটনা

কোমার প্রথম ধাপে পুলকার দুর্ঘনায় জখম ঋষভ-দিব্যাংশু, আশা জিইয়ে চিকিৎসায় সামান্য সাড়া

দিব্যাংশুর ফুসফুস থেকে কিছুটা কাদাজল বের করা গিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০, ১৮:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০, ১৮:১১

options
link
কোমার প্রথম ধাপে পুলকার দুর্ঘনায় জখম ঋষভ-দিব্যাংশু, আশা জিইয়ে চিকিৎসায় সামান্য সাড়া zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নতুন করে অবস্থার অবনতি হয়নি। ধীরে ধীরে চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছে পোলবার পুলকার দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম ঋষভ এবং দিব্যাংশু। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খুদে দুই ছাত্রকে সুস্থ করে তোলার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছেন তাঁরা। বেশ কয়েকদিন পরেই আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরবে শিশুরা।

শুক্রবার স্কুল যাওয়ার পথে পোলবায় দিল্লি রোডের কাছে পুলকার প্রথমে পোস্টে ধাক্কা মারে। তারপরই গাড়িটি উলটে নয়ানজুলিতে পড়ে যায়। কমবেশি জখম হয় গাড়িতে থাকা অন্তত ১৫ জন পড়ুয়া এবং একজন অভিভাবক। স্থানীয়রা উদ্ধার করে সকলকে চুঁচুড়ার ইমামবাড়া সদর হাসপাতালে ভরতি করেন। তবে ঋষভ এবং দিব্যাংশু নামে দুই স্কুলছাত্রের অবস্থা ছিল সবচেয়ে আশঙ্কাজনক। তাই দু’জনকে এসএসকেএমে স্থানান্তরিত করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। এরপরই রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় গ্রিন করিডরের মাধ্যমে শিশুদের এসএসকেএমে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই আপাতত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে শিশু দুটি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কাউন্সিলর কেমন, পুরভোটের আগে বিধায়কদের মাধ্যমে খোঁজখবর নিচ্ছে শাসকদল]

ট্রমা কেয়ার ইউনিটে ভরতি রয়েছে ছোট্ট দিব্যাংশু। তৃণমূল কাউন্সিলর পাপ্পু সিংয়ের ছেলে ঋষভের চিকিৎসা চলছে কার্ডিওথেরাপি ভাসকুলার সার্জারি বিভাগে। দুর্ঘটনার জেরে ফুসফুসে প্রচুর পরিমাণ কাদাজল ঢুকে গিয়েছিল ঋষভের। তাই ECMO পদ্ধতিতে আপাতত শ্বাস নিচ্ছে খুদে। রবিবার রাতে ওই শিশুকে রক্তও দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ঋষভ এবং দিব্যাংশু দু’জনেই রয়েছে স্টেজ ওয়ান কোমায়। ঋষভের ফুসফুসে এখনও কাদাজল রয়েছে। এক্স রেতে ধরা পড়েছে। ব্রেনস্টেমে আঘাত লেগেছে তার। তবে দিব্যাংশুর ফুসফুস থেকে খানিকটা কাদাজল বের করা গিয়েছে। তবে তার মস্তিষ্কের আঘাত কতটা গুরুতর, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধীরে ধীরে চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছে তারা। আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে দুই খুদের বেশ কিছুটা সময় লেগে যাবে বলেই মনে করছেন চিকিৎসকরা।

চিকিৎসায় সাড়া দিলেও দুই খুদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে চিন্তিত মুখ্যমন্ত্রী-সহ রাজ্যের প্রত্যেকেই। তাই ফোনে প্রতি মুহূর্তে এসএসকেএমের ডিরেক্টরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম এসএসকেএমে দিব্যাংশু এবং ঋষভকে দেখতে যান। শনিবার দুপুরে হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ও হাসপাতালে আসেন। দুই ছাত্রের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। রবিবার সন্ধেয় এসএসকেএমে যান শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.