Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Manas Bhunia

প্রতারণার অভিযোগে নোটিস পুলিশের, গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় এবার হাই কোর্টে মানস ভুঁইঞা

পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে চাকরি দিয়েছিলেন মানস, এমনই অভিযোগ করেছেন যুবক।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৬, ১৪:১২

link
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৬, ১৪:১২

options
link
প্রতারণার অভিযোগে নোটিস পুলিশের, গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় এবার হাই কোর্টে মানস ভুঁইঞা zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

সম্প্রতি চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে প্রাক্তন সেচ মন্ত্রী মানস ভুঁইঞার (Manas Bhunia) বিরুদ্ধে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে নোটিস পাঠায় পুলিশ। এই পরিস্থিতিতে এবার গ্রেপ্তারির আশঙ্কা করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন মানস। রক্ষাকবচের আর্জি জানিয়েছেন তিনি। 

বিষয়টা ঠিক কী? অভিযোগকারীর নাম বিকাশ কুমার টুং। তিনি সবং বিধানসভার বিষ্ণুপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা। সবং থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। যুবকের দাবি, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর স্ত্রী মঞ্জু সাহু টুংকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। অভিযোগ তৎকালীন মন্ত্রী ডা. মানস রঞ্জন ভুঁইঞার মধ্যস্থতায় তৃণমূল নেতা শেখ আবু কালাম বক্স ও ভোলানাথদের মাধ্যমে পাঁচ লক্ষ টাকার বিনিময়ে চাকরির ব্যবস্থা করা হয়। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১ মার্চ ২০২৬ তারিখে ‘CISB Services Private Limited’-এর অধীনে STEWARD পদে তেমাথানির সেচ বাংলোয় কাজে যোগ দেন মঞ্জু সাহু টুং। তাঁর ওয়ার্কম্যান রেজিস্টার নম্বর ছিল CISB/WB-46। পরিবারের দাবি, চাকরিতে যোগদানের পর নিয়মিত কাজ করলেও মাত্র দু’মাসের মাথায় গত ৬ মে তাঁকে জানানো হয় যে তাঁর চাকরি বাতিল করা হয়েছে। এমনকী চাকরি বাতিলের নির্দেশের কপিও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ। 

Advertisement

যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে সবং থানার পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার  ৩১৮(৪) এবং ৬১(২) ধারায় মামলা রুজু করে। নোটিস পাঠানো হয় প্রাক্তন মন্ত্রীকে। এরপরই মেদিনীপুর জেলা আদালতে আগাম জামিনের আর্জি করেছিলেন তিনি। কিন্তু ঘটনাচক্রে মামলার শুনানি স্থগিত হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন মানস ভুঁইঞা। যদিও শুরু থেকেই প্রাক্তন মন্ত্রী দাবি করছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর কথায়, “৫৬ বছরের রাজনৈতিক জীবনে, সিপিএমের ৩৪ বছর থেকে তৃণমূলের এত বছরের শাসন কোনও সময়েই আমার বিরুদ্ধে কেউ আঙুল তুলতে পারেনি। আমরা মানুষের জন্য কাজ করেছি, মানুষের উপকার করেছি।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.