Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Calcutta HC

বিচারপতি মান্থার বিরুদ্ধে পোস্টার হাই কোর্টে, এজলাসের গেট আটকে বিক্ষোভ আইনজীবীদের

ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রধান বিচারপতি সঙ্গে সঙ্গে বার অ্যাসোসিয়েশন ও এজিকে তলব করেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২৩, ১২:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২৩, ১২:১৯

options
link
বিচারপতি মান্থার বিরুদ্ধে পোস্টার হাই কোর্টে, এজলাসের গেট আটকে বিক্ষোভ আইনজীবীদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর এবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাস বয়কটের দাবি তুলে বিক্ষোভ। অভিযোগ, সোমবার সকাল থেকে কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta HC) বিচারপতি মান্থার এজলাসে গেট আটকে বিক্ষোভে  (Agitation) শামিল হন আইনজীবীদের একাংশ। তিনি এজলাসে এসেও বিক্ষোভের জেরে চলে যান। এদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে আদালতের বাইরের দেওয়ালে পোস্টার দেখা গিয়েছে। তাতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ছবি দিয়ে ইংরাজিতে লেখা – লজ্জা, বিচারব্যবস্থার নামে কলঙ্ক! কেউ আবার প্রশ্ন তুলেছেন – কোথায় আসল বিচার মিলবে? 

Advertisement

জানা গিয়েছে, সোমবার বেলার দিকে নির্ধারিত সময়েই এজলাসে উপস্থিত হয়েছিলেন হাই কোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। কিন্তু এজলাসের বাইরে গেট আটকে তা বয়কটের (Boycott) ডাক দেয় আইনজীবীদের একাংশ। বিচারপতির এজলাসে বিচার প্রক্রিয়া স্তব্ধ হয়ে যায়। তিনি এজলাস ছেড়ে উঠে যান। আজকের মতো এজলাসের কাজ মুলতুবি করে দেন বিচারপতি মান্থা। পরে অবশ্য যোধপুর পার্কে, বিচারপতির বাড়ির সামনেও পোস্টার পড়ে।

[আরও পড়ুন: ‘ধর্মের নামে গায়ে হাত সত্ত্বার সংকট’, উদ্বিগ্ন নোবেলজয়ী অমর্ত‌্য সেন]

ঘটনার বিরোধিতা করেন কংগ্রেসের যুব নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচি। তিনি বিচারপতি মান্থাকে এবিষয়ে হস্তক্ষেপ করার আরজি জানান। এরপর ১৩ নম্বর কোর্ট বয়কট নিয়ে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন কেন্দ্রের অ্যাসিস্ট্যান্ট সলিসিটর জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য। বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিএম  (CPM) নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য প্রধান বিচারপতির এজলাসে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে নিন্দাপ্রকাশ করেন। তাঁর আবেদন, বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিকে ডেকে প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) বিষয়টি তোলা হোক। এসব শুনে প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব বলেন, ”এটা উচিত নয়। সব তথ্য প্রমাণ নিয়ে আসুন। বারের সভাপতি ডেকে পাঠাচ্ছি। এই ঘটনা একেবারেই উচিত নয়। বিষয়টি আমরা দেখেছি।” এর ফলে বিচার প্রক্রিয়া থমকে যায় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চেও।

[আরও পড়ুন: ‘ভারত জোড়ো যাত্রা যুগান্তকারী’, রাহুল গান্ধীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ শত্রুঘ্ন সিনহা]

এরপর প্রধান বিচারপতি (Chief Justice) বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলকে (AG) ডেকে পাঠান। তাঁদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চান। বিচারপতির এজলাস কী ভাবে বয়কট করা যেতে পারে? সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। এজি প্রধান বিচারপতিকে জানান, ”আমি সবেমাত্র বিষয়টি জানতে পারলাম।” তাতে প্রধান বিচারপতি ভর্ৎসনার সুরে বলেন, ”কেন বুঝছে না? এসব বিষয় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গেলে সমস্যা তৈরি হবে। ছবি, ভিডিও সব রয়েছে। কেন সমস্যা ডেকে আনছেন?”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.