Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬

দুঃস্থ পড়ুয়াদের কাউন্সেলিং ফি ফেরতের সিদ্ধান্ত প্রেসিডেন্সিতে, উঠল ঘেরাও

আবির মেখে উচ্ছ্বাস আন্দোলনকারীদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৮, ১১:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৮, ১১:১৬

options
link
দুঃস্থ পড়ুয়াদের কাউন্সেলিং ফি ফেরতের সিদ্ধান্ত প্রেসিডেন্সিতে, উঠল ঘেরাও zoom
Advertisement

রিংকি দাস ভট্টাচার্য: পড়ুয়াদের আন্দোলনের চাপে পড়ে যাদবপুরের মতন প্রেসিডেন্সি কর্তৃপক্ষও তাদের দাবি মেনে নিল। শনিবার মেধা তালিকা প্রকাশ করে অবস্থানে থাকা পড়ুয়াদের প্রথম দাবি মেনেছিল প্রেসিডেন্সি কর্তৃপক্ষ। রাতে আন্দোলনরত পড়ুয়াদের দ্বিতীয় দাবিও মানল তারা। ফলে ৬৫ ঘণ্টার ঘেরাও আন্দোলনে দাঁড়ি পড়ল।

[ছাত্র আন্দোলনের চাপে নতিস্বীকার, প্রেসিডেন্সিতে মেধাতালিকা প্রকাশ]

প্রেসিডেন্সির রেজিস্ট্রার দেবাশিস কোনার বলেন, ‘‘ছাত্রদের দাবি মেনে ফি কমানো হয়েছে ঠিকই, তবে তা শুধুমাত্র দুঃস্থ পড়ুয়াদের জন্য।’’ দেবাশিসবাবু আরও জানান, যে সমস্ত দুঃস্থ পড়ুয়া প্রেসিডেন্সিতে ভর্তির সুযোগ পাবে, তারা সঠিক প্রমাণপত্র জমা দিলে রেজিস্ট্রেশন ফি-র চারশো টাকা মকুব করা হবে। পাশাপাশি যে সমস্ত ছাত্র-ছাত্রী ভরতির সুযোগ পায়নি তারাও দুঃস্থতার প্রমাণ দিলে ফি ফেরতের বিষয়টি বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন প্রেসিডেন্সি কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

[ইস্তফার জল্পনায় জল, শারীরিক অবস্থা নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে কথা সুরঞ্জনের]

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার থেকে দু’টি দাবি নিয়ে আন্দোলন শুরু করে এসএফআই। ছাত্র ভর্তির নামে প্রেসিডেন্সির মতো কুলীন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে সরব হয়েছে তারা। কাউন্সেলিংয়ে ডাক পেলেই রেজিস্ট্রেশন ফি-র নামে ৫০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এতদিন যে টাকার পরিমাণ ছিল ১০০ টাকা। এ বছর আচমকাই তা ৪০০ টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বিক্ষুব্ধদের দাবি, এই ফি বৃদ্ধির জন্য কোনও যুক্তি দেখাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। তাই এই বর্ধিত ফি নেওয়া যাবে না।

[হস্টেলের দাবিতে অনশনে পড়ুয়ারা, অচলাবস্থা অব্যাহত মেডিক্যাল কলেজে]

একদিন আগে এই দাবি নিয়ে কিছুটা নরম হয়ে প্রেসিডেন্সি জানিয়েছিল, দুঃস্থ ও বিপিএল তালিকাভুক্ত ছাত্রছাত্রীদের থেকে নেওয়া বর্ধিত ফি ফিরিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু যারা ভর্তি হতে পারেনি তাদের রেজিস্ট্রেশন ফি কমানো বা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। ফলে ঘেরাও আন্দোলন চলতেই থাকে। বৃহস্পতিবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ভবনেই আটকে থাকেন রেজিস্ট্রার, ডিন অফ সায়েন্স, বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান-সহ অশিক্ষক কর্মীরা।  দুই ছাত্র সংগঠনই এদিন সন্ধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল, বর্ধিত ফি নেওয়া বন্ধ করে টাকা ফেরতের এই দাবিতে তারা শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবে। রাত পর্যন্ত আন্দোলন চলতে থাকায় অবশেষে নরম হয় কর্তৃপক্ষ। রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়। কর্তৃপক্ষ দাবি মেনে নেওয়ার কথা জানাতেই আন্দোলন থেকে সরে আসে ছাত্ররা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.