Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
নরেন্দ্র মোদি

মুখ্যমন্ত্রীর ডাকে সাড়া, শুক্রবারই আমফান বিধ্বস্ত বাংলায় আসছেন মোদি

সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ দমদম বিমানবন্দরে আসার কথা তাঁর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২০, ২০:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২০, ২০:৩৪

options
link
মুখ্যমন্ত্রীর ডাকে সাড়া, শুক্রবারই আমফান বিধ্বস্ত বাংলায় আসছেন মোদি zoom

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে সাড়া দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্রের খবর, শুক্রবারই সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছবেন তিনি। তাঁকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে থাকবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আমফান বিধ্বস্ত বাংলার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতেই প্রধানমন্ত্রীর এই সফর।

আমফানের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দক্ষিণবঙ্গ। ইতিমধ্যে প্রাণহানি হয়েছে ৭২ জনের। স্বজনহারা প্রতিটি পরিবারকে আড়াই লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের কথাও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নবান্নে টাস্ক ফোর্সের বৈঠকের পরই মুখ্যমন্ত্রী ঝড়ের ভয়াবহতার কথা আরও একবার সকলকে মনে করিয়ে দেন। বারবারই কেন্দ্রের কাছে সাহায্য দাবি করেন তিনি। সেই সূত্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বাংলায় আসার জন্য অনুরোধ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর ডাকেই সাড়া দিলেন নরেন্দ্র মোদি। সূত্রের খবর, শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছবেন তিনি। প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। নিজেও আকাশপথে বাংলার আমফান বিপর্যস্ত পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে পারেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আমফানের বলি ৭২, পরিবারপিছু আড়াই লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর]

এ রাজ্যে আসার আগে একটি টুইটও করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত এলাকায় বিপর্যয় মোকাবিলা দল কাজ করছে বলে টুইটে উল্লেখ করেন তিনি। মোদি টুইটে আরও লেখেন, বাংলার সরকারের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করছেন শীর্ষ আধিকারিকরা। পরিস্থিতির উপর প্রতি মুহূর্তে নজর রাখছেন প্রত্যেকেই। বিপদগ্রস্তদের সহযোগিতায় কোনও খামতি রাখা হবে না।

আমফান বাংলায় ধেয়ে আসার ঠিক আগেই রাজ্যকে প্রায় অন্ধকারে রেখে রেসিডেন্স কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তা নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও আমফান পরবর্তী সময়ে সেই দ্বন্দ্ব প্রায় উধাও। রাজ্যে এসে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার অনুরোধ করেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী ‘মানবিক’ হওয়ায় বাংলায় আসার সিদ্ধান্ত বলেই দাবি দিলীপ ঘোষের। আমফান বিপর্যস্ত রাজ্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী কোনও আর্থিক প্যাকেজের কথা জানান কি না, সেদিকে তাকিয়ে গোটা বাংলা।

[আরও পড়ুন: ‘ন্যূনতম’ থেকে ‘ব্যাপক’! প্রবল সমালোচনার মুখে আমফান নিয়ে নয়া বার্তা রাজ্যপালের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.