Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
Kolkata

ন’বছরের নাবালিকার কুম্ভকর্ণের গর্জন! বিরল অস্ত্রোপচারে সারাল কলকাতার বেসরকারি হাসপাতাল

কী এই রোগ?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২৫, ১০:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২৫, ১০:৪০

options
link
ন’বছরের নাবালিকার কুম্ভকর্ণের গর্জন! বিরল অস্ত্রোপচারে সারাল কলকাতার বেসরকারি হাসপাতাল zoom
প্রতীকী ছবি।

অভিরূপ দাস: বয়স ন’বছর। কিন্তু তার নাক ডাকার আওয়াজে বাড়ির লোক অস্থির। যেন ভীষণ বপুর কেউ শুয়ে আছে। কলকাতার বাসিন্দা শ্রীজা সাহার ‘কুম্ভ কর্ণের নাকডাকা’ সারাল অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালের ইএনটি টিম।

অসুখ একটা নয়, দু’ দুটো। জন্ম থেকেই জেনেটিক ডিজঅর্ডার নুনান সিন্ড্রোমে আক্রান্ত শ্রীজা। তাকে আলাদা করে হরমোন নিতে হয় হাসপাতাল থেকে। নুনান সিন্ড্রোমে ‘প্রিম্যাচিওর এজিং’ বা অল্প বয়সে বার্ধক্য নেমে আসে। মুখের ত্বকে ভাঁজ পড়ে যায়। তার আবার নাক ডাকার সমস্যা! অনেক চিকিৎসক ভেবেছিলেন হয়তো সামান্য অ্যালার্জি। শিশুর নাকের পরীক্ষা করে বিস্মিত অ্যাপোলো হাসপাতালের চিকিৎসকরা। হাসপাতালের ইএনটি বিশেষজ্ঞ ডা. শান্তনু পাঁজা জানিয়েছেন, জন্মগত এক বিরল অসুখে ভুগছিল শ্রীজা। যাকে বলে কোয়েনা অ্যাট্রেশিয়া। পৃথিবীজুড়ে দশ হাজারে একজন এমন শিশু দেখা
যায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কী এই অসুখ? নাকের পিছনে ন্যাসোফ্যারিংসের সামনের দিকের অংশ কোয়েনা। কোয়েনা অ্যাট্রেশিয়া এমন একটি শারীরিক অসুবিধা যেখানে নিশ্বাস নেওয়ার রাস্তা বা নাসাল প্যাসেজের পিছনটা আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকে। ঘুমোলে নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তা থেকেই প্রচণ্ড জোরে নাক ডাকত শ্রীজা। ডা. শান্তনু পাঁজার কথায়, একটু বয়স্করা মুখ দিয়ে ‘ব্রিদিং’ করলেও ছোটরা মূলত নাক দিয়েই নিশ্বাস নেয়। সেক্ষেত্রে তাদের নাকের পিছনের প্যাসেজ বন্ধ থাকাটা ভীষণ চিন্তার। নিশ্বাস নেওয়ার এই প্যাসেজ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকলে ঘুমের মধ্যে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে শিশুর। কোয়েনা অ্যাট্রেশিয়ার সমস্যা মেটাতে দরকার জটিল অস্ত্রোপচারের। শ্রীজার নিশ্বাস নেওয়ার পথ এতটাই বেশি রুদ্ধ ছিল দ্রুত সে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন ছিল। ডা. শান্তনু পাঁজা জানিয়েছেন, এটা একটা বিশেষ জটিল এন্ডোস্কোপিক সার্জারি। ন’বছরের শিশুর ছোট্ট নাকের ভিতর দিয়ে হাড়ের মধ্যে ড্রিল করে পৌঁছতে হবে ওই রুদ্ধ পথে। সেখানে ক্রসওভার ফ্ল্যাপ করে এটা মেরামত করতে হত। ভয় পায়নি শ্রীজা। অস্ত্রোপচারের পর আপাতত সুস্থ সে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.