১১ ফাল্গুন  ১৪২৬  সোমবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টালা ব্রিজের বিকল্প হিসেবে অবশেষে লেভেল ক্রসিং তৈরিতে অনুমোদন দিল রেল। চিৎপুরেই তৈরি হবে লেভেল ক্রসিং। আজ রেলের তরফে আনুষ্ঠানিক অনুমতিপত্র এসে পৌঁছেছে নবান্নে। ৩১ জানুয়ারি থেকেই ব্রিজে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন থেকে পুরোদমে লেভেল ক্রসিং তৈরির কাজ শুরু হবে সূত্রের খবর। শ্রমিকরা সেখানে থেকে কাজ করবেন বলে ইতিমধ্যেই নিজেদের থাকার ঘর নির্মাণ করছেন।

উত্তর কলকাতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী সেতু টালা ব্রিজের জরাজীর্ণ দশা দেখে ঝুঁকি টের পেয়েছিলেন পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা। পুরসভা, রাজ্য ও রেলের বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়াররা একযোগে পরিদর্শনের পর ব্রিজটি ভেঙে নতুন করে তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পুজোর আগে নতুন সেতু তৈরির কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে সেই সময়সীমা আরও কমিয়ে তিনি এক মাস বেঁধে দেন। কিন্তু টালবাহানার জেরে কাজ শুরু পিছিয়ে যায়। এই সেতু একাংশ রেল লাইনের উপর দিয়ে যাওয়ার ফলে এই প্রকল্পে রেলেরও অনুমতি প্রয়োজন ছিল। রাজ্যের তরফে টালা ব্রিজের বিকল্প হিসাবে চিৎপুরে একটি লেভেল ক্রসিং তৈরি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তার জন্য রেলের অনুমতি প্রয়োজন ছিল। অবশেষে শনিবার সেই অনুমতি মিলেছে।

[আরও পড়ুন: CAA বিরোধী বিক্ষোভে বাধা, পুলিশ-আন্দোলনকারী সংঘর্ষে রণক্ষেত্র কলকাতা পুরসভা চত্বর়]

সব ঠিক থাকলে ১৮ জানুয়ারি টালা ব্রিজ ভাঙার কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল। ৮০০ মিটার লম্বা এই সেতু ভাঙার খরচ আনুমানিক ৩০ কোটি টাকা। এই কাজের জন্য ঠিকাদার সংস্থাগুলিকে আহ্বান জানাতে টেন্ডারও ডাকে পূর্ত দপ্তর। তবে নির্ধারিত সময়ে টালা ব্রিজ ভাঙা শুরু করা সম্ভব হয়নি। তার জন্য রেলের গড়িমসিকেই দায়ী করেছিল রাজ্য সরকার।টালা ব্রিজ তৈরির সময় বিকল্প রাস্তা হিসাবে একটি লেভেল ক্রসিং তৈরির কথা ছিল। সেই কাজও পিছিয়ে যায়। তবে শনিবার রেলের তরফে অনুমতি পাওয়ার পর আর কোনও ব্যাঘাত না ঘটলে লেভেল ক্রসিং তৈরির পাশাপাশি ব্রিজ ভাঙার কাজও দ্রুত শুরু হতে পারে।

[আরও পড়ুন: কৈলাসের চিঁড়ে-মন্তব্য ঘিরে সরগরম নেটদুনিয়া, রেগে আগুন নেটিজেনরা]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং