নব্যেন্দু হাজরা: সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। বেলা বাড়তে রোদের ঝিলিক দেখা দিলেও অস্বস্তি থেকেই গিয়েছে। তবে আবহাওয়া দপ্তর বলছে, বিকেল গড়াতেই কাটবে অস্বস্তি। কালবৈশাখীর দাপট ও বৃষ্টিতে কাটতে পারে অস্বস্তি। সন্ধের মুখে দুর্যোগের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর। তাই অফিস যাত্রীরা সাবধান। সঙ্গে ছাতা নিয়ে বেরতে ভুলবেন না।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর বলছে, বৃহস্পতিবার কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে এক ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ অনেকটা বেশি থাকায় দিনভর অস্বস্তিতে ভুগবেন শহরবাসী। আবহাওয়া দপ্তর বলছে, দিনভর বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৮৮ শতাংশ থাকবে। সর্বনিম্ন ৫৫ শতাংশ।
[আরও পড়ুন : চাকরির টোপ দিয়ে জালিয়াতির ফাঁদ কলকাতায়, বেকার যুবক-যুবতীদের সতর্ক করল লালবাজার]
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝড়ও। এদিকে দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি ভিজতে পারে উত্তরবঙ্গও। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর জেলায় বিকেলের দিকে হবে বৃষ্টি। তবে বৃষ্টিপাত সামান্য স্বস্তি ফেরালেও অস্বস্তি বজায় রাখবে শুষ্ক আবহাওয়া। ঝড়বৃষ্টির জেরে তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। কিন্তু বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্য বাড়াবে অস্বস্তি।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে আজ থেকে শনিবার, এই তিনদিন দক্ষিণবঙ্গে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
[আরও পড়ুন : সুপরিকল্পিতভাবে জামায় আবর্জনা ছুড়ে লক্ষাধিক টাকা চুরি, পুলিশের জালে ৩ দুষ্কৃতী]
সর্বশেষ খবর
-
ভারতকে চাপ দিলে বিশ্বজুড়ে অশান্তি! মার্কিন শুল্কবাণের মধ্যেই মোদির ‘ঢাল’ পুতিন
-
আচমকা ‘প্রসন্ন’ শরিকরা, বাড়তি দুই রাজ্যসভা আসন প্রাপ্তি কংগ্রেসের! প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপিও
-
লোকসভাতেও ‘আসল তৃণমূল’, দলনেতা হচ্ছেন কাকলি! জল্পনার মাঝে বিস্ফোরক পোস্ট সাংসদের
-
‘সিএবি কর্তা হয়েও সংস্থার গঠনতন্ত্র জানেন না’, কোষাধ্যক্ষকে পাল্টা প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়ার
-
এনআইএর জালে আরও এক তৃণমূল নেতা, এবার গ্রেপ্তার পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ