নিরুফা খাতুন: বড়তলায় সাত মাসের শিশুকন্যাকে যৌন নির্যাতনে দোষী সাব্যস্ত রাজীব ওরফে গোবরা। চার্জশিট জমার ২৬ দিনের মাথায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেছে কলকাতা নগর দায়রা আদালতের বিশেষ পকসো কোর্ট। মঙ্গলবার এই মামলায় সাজা ঘোষণা করবেন বিচারক।
গত বছরের ৩০ নভেম্বর, বড়তলা থানা এলাকার এক বাসিন্দা দেখেন বাড়ির সামনে ফুটপাথে শুয়ে তারস্বরে কাঁদছে এক দুধের শিশু। আশপাশে কেউ নেই। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে ফোন করেন তিনি। একই সময় ফুটপাথবাসী এক দম্পতি তাঁদের সন্তানের খোঁজ শুরু করেন। খোঁজ পেতে পুলিশের দ্বারস্থ হন। পরে বোঝা যায়, ফুটপাথে কাঁদতে থাকা শিশুটিকে ওই ফুটপাথবাসী দম্পতিরই সন্তান। একরত্তিকে সঙ্গে সঙ্গে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই সে এখনও চিকিৎসাধীন। চিকিৎসা করতে গিয়ে চমকে ওঠেন ডাক্তাররা।
দেখেন, দুধের শিশুটির গোপনাঙ্গে একাধিক ক্ষতর চিহ্ন রয়েছে। এমনকী, সারা শরীরেও একাধিক আঁচড়ের চিহ্ন রয়েছে। মনে করা হয়, শিশুটিকে যৌন নিগ্রহ করা হয়েছে।
তদন্তে নেমে মোট ১৯ মিনিটের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেন তদন্তকারীরা।
গত বছরের ৪ ডিসেম্বর রাজীব ঘোষ ওরফে গোবরাকে ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুর থানার আলমপুরের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। যৌন নির্যাতনের পর সেখানে গিয়ে গা ঢাকা দিয়েছিল দোষী। গেইট পদ্ধতি ব্যবহার করে সিসিটিভি ফুটেজের সঙ্গে অভিযুক্তের হাঁটাচলা মিলিয়ে দেখে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে।
২৬ দিনের মাথায় চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ। ২৪ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। সাক্ষীদের তালিকায় ছিলেন আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সুপারও। গত বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি শেষ হয়। সোমবার আদালত রাজীব ওরফে গোবরাকে দোষী সাব্যস্ত করে। মঙ্গলবার এই মামলায় সাজা ঘোষণা করবেন বিচারক।
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে