Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Random test

ছদ্মবেশি করোনা-বাহকের সন্ধানে কলকাতায় হবে ‘র‍্যান্ডম টেস্ট’

হাজরা, শ্যামবাজার, গড়িয়াহাটের মোড়ে থাকবে অ্যাম্বুল্যান্স।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২০, ২০:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২০, ২০:২৯

options
link
ছদ্মবেশি করোনা-বাহকের সন্ধানে কলকাতায় হবে ‘র‍্যান্ডম টেস্ট’ zoom
ছবি: প্রতীকী

কৃষ্ণকুমার দাস: এতদিন শুধুমাত্র করোনা আক্রান্ত রোগীর পরিজন ও প্রতিবেশীদের লালারস পরীক্ষা করছিল কলকাতা পুরসভা। কিন্তু এবার যে সমস্ত এলাকায় কোভিড-১৯ এখনও পর্যন্ত প্রত্যক্ষভাবে পাওয়া যায়নি সেখানেও করোনার সন্ধানে ‘র‍্যান্ডম টেস্ট’ শুরু হবে। বাজার, বড় দোকান এবং বাসস্ট্যান্ডেও লালারস সংগ্রহের অ্যাম্বুল্যান্স লাগিয়ে এই পরীক্ষা অভিযান শীঘ্রই শুরু হবে। স্বাস্থ্য দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে করোনা মোকাবিলায় এমনই কর্মসূচির কথা জানিয়েছেন পুরসভার মুখ্যপ্রশাসক ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।

পুরসভার মুখ্যপ্রশাসকের কথায়, “রাজ্যের মধ্যে যেহেতু কলকাতাতেই সবচেয়ে সংক্রমণ ঘটছে এবং প্রতিদিনই নতুন এলাকায় কোভিড রোগীর সন্ধান মিলছে তাই এমন পরিকল্পনা। এমন অনেক এলাকা আছে সেখানে এখন উপসর্গহীন রোগী ঘুরছেন, তাঁর থেকেই হয়ত ‘ইমিউনিটি’ কম নতুন মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। ওই উপসর্গহীন ছদ্মবেশী করোনা-বাহককে চিহ্নিত করতেই মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় ‘র‍্যান্ডম টেস্ট’ চালু করছি।” বস্তুত এই কারণেই স্বাস্থ্যদপ্তরের কাছে দৈনিক হাজার ব্যক্তির লালারস পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে বলেছে পুরসভা। এখন মাত্র ৩০০ জনের লালারস সংগ্রহ করে পিজি হাসপাতালে যাচ্ছে। আরও অ্যাম্বুল্যান্স নামিয়ে ‘র‍্যান্ডম টেস্ট’ যখন হবে তখন সংখ্যাটি হাজারে পৌছে যাবে। হাজরা, গড়িয়াহাট, শ্যামবাজার, কলেজ স্টিট, যাদবপুর ৮বি, টালিগঞ্জ, বেহালা চৌরাস্তার মতো জনবহুল এলাকা পরীক্ষা শুরু হবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন : ফের পথে নামলেন মমতা, পুলিশ ট্রেনিং স্কুলে গিয়ে অশান্ত কর্মীদের আশ্বস্ত করলেন]

কলকাতায় কনটেনমেন্ট জোন সংখ্যা নিয়ে এখন করোনার সঙ্গে পুরসভার সাপ-লুডো খেলা চলছে। এক ধাক্কায় ৫৯টি জোন কমে ২৮১ হয়ে যাওয়ার পর ফের বেড়ে ২৮৮ হয়েছে।মাঝে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৪০-এর আশে পাশে ছিল ফের তা ষাটের ঘর ছুঁয়েছে। নতুন করে সাত ও নয় নম্বর বরোয় দাপট দেখাচ্ছে কোভিড-১৯।  ভবানীপুর, খিদিরপুর, ইকবালপুর, আলিপুর থেকে শুরু করে বহুতলের বাসিন্দারা আক্রান্ত হওয়ায় উদ্বিগ্ন পুরমন্ত্রী। তাই স্বাস্থ্যকর্তার সঙ্গে বৈঠকে শহরে মারণ ভাইরাসের ‘বাহক’কে আগাম পাকড়াও করার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। স্বাস্থ্যদফতর সূত্রে খবর, যে সমস্ত এলাকায় করোনা রোগী ইতিমধ্যে ধরা পড়েছে, মূলত তার লাগোয়া পল্লী, বাজার ও জনপদে এই ‘র‍্যান্ডম টেস্ট’ শুরু হচ্ছে। এদিন নতুন আক্রান্তের তালিকায় দক্ষিণ কলকাতার নতুন এলাকা ঘুরে পড়ায় চিন্তিত ও উদ্বিগ্ন পুরসভা ও স্বাস্থ্যভবন। 

[আরও পড়ুন : ‘বাংলার আইনশৃঙ্খলা তলানিতে’, কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ চেয়ে অমিত শাহকে চিঠি দিলীপের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.