Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Shankar Adhya

‘তোমাকে তো চেনাই যাচ্ছে না’, শংকরের পায়ে লুটিয়ে পড়ে কান্না স্ত্রীর

স্ত্রী, কন্যা ছেড়ে আপাতত ইডি হেফাজতে তৃণমূল নেতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৪, ১৫:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৪, ১৫:২৯

options
link
‘তোমাকে তো চেনাই যাচ্ছে না’, শংকরের পায়ে লুটিয়ে পড়ে কান্না স্ত্রীর zoom
শংকর আঢ্য এবং তাঁর স্ত্রী

অর্ণব আইচ: রেশন দুর্নীতি মামলায় আপাতত ইডির জালে বনগাঁর প্রাক্তন পুরপ্রধান শংকর আঢ্য। স্ত্রী, কন্যাকে ছেড়ে সিজিও কমপ্লেক্সে দিন কাটছে তাঁর। হেফাজত শেষে শনিবার তাঁকে তোলা হয় ইডির বিশেষ আদালতে। স্বামীকে চোখের সামনে দেখে আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না শংকর ঘরনি জ্যোৎস্না। স্বামীর পায়ের সামনে কান্নায় লুটিয়ে পড়লেন তিনি। স্বাস্থ্যের হাল দেখে কার্যত অবাক হয়ে যান তৃণমূল নেতার স্ত্রী। বললেন, “তোমাকে তো চেনাই যাচ্ছে না।”

শনিবার ইডির বিশেষ আদালতে দাঁড়িয়ে শংকরের আইনজীবী জামিনের আবেদন করেননি। তবে আরও ভালো করে তাঁর চিকিৎসা করানো হোক বলেই দাবি আইনজীবীর। তিনি বলেন, “একটা কিডনি নেই। রক্তে শর্করার মাত্রা, রক্তচাপ বেশি। ওরাও চিকিৎসা করেছে। আমরা আরও ভাল চিকিৎসারও আবেদন করছি।” আইনজীবী আরও বলেন, “এফিডেভিট দিয়ে বলুক এত কোটি টাকার যোগ পাওয়া গিয়েছে বা বৈদেশিক মুদ্রায় রূপান্তরিত করা হয়েছে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: রামের নিন্দা করতেই ভেঙে পড়ল মঞ্চ! প্রাক্তন সাংসদের দুর্ভোগের ভিডিও ভাইরাল]

অবশ্য অসুস্থতার কথা উড়িয়ে দেন ইডির আইনজীবী। বলেন, “আগে থেকেই অসুস্থ শংকর আঢ্য। কিন্তু মেডিক্যালি ফিট। জেলেও চিকিৎসা হতে পারে। হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হলে জেল হাসপাতালের চিকিৎসক ঠিক করবেন। এর আগেও এসএসকেম হাসপাতালে অনেকে ভর্তি হয়ে তিন মাস কাটিয়ে দিয়েছেন। কী অসুখ আছে জানি না। এই মুহূর্তে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজনীয়তা আছে বলে চিকিৎসার কাগজপত্র দেখে মনে হচ্ছে না।”

উল্লেখ্য, ইডির দাবি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের লেখা একটি চিঠির সূত্র ধরেই গ্রেপ্তার হয়েছেন শংকর আঢ্য।  সেই চিঠির সত্যতা নিয়ে বার বারই প্রশ্ন তুলেছেন বনগাঁর প্রাক্তন পুরপ্রধান। শনিবার তিনি পালটা প্রশ্ন তোলেন।  তাঁর প্রশ্ন, “হেফাজতে থাকাকালীন কীভাবে উনি (জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক) কলম, কাগজ পেলেন সেটা দেখা হোক। তা হলে সত্যিটা বোঝা যাবে।” এছাড়াও বার বার নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন ধৃত। বনগাঁর দাপুটে তৃণমূল নেতা আদৌ জামিন পান নাকি ইডি হেফাজতের মেয়াদ বাড়ে তাঁর, সেদিকেই নজর সকলের। 

[আরও পড়ুন: ‘নদী পেরিয়ে কড়াকাঠি দ্বীপে শাহজাহান’, বিস্ফোরক দাবি সন্দেশখালির প্রাক্তন বাম বিধায়কের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.