Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬

নেশামুক্তি কেন্দ্রে কিশোরীকে লাগাতার ধর্ষণ, গ্রেপ্তার সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের মালিক

বেহালার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার অভিযুক্ত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০১৮, ১৪:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০১৮, ১৪:৫৯

options
link
নেশামুক্তি কেন্দ্রে কিশোরীকে লাগাতার ধর্ষণ, গ্রেপ্তার সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের মালিক zoom
Advertisement

অর্ণব আইচ: ফের নেশামুক্তি কেন্দ্রে ঘটল অপরাধ। ১৫ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ। গ্রেপ্তার বেহালার সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের মালিক সঞ্জয় পাল। বুধবার রাতে বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে মুচিপাড়া থানার পুলিশ।

[নেশা ছাড়ানোর নামে বেধড়ক মারধর, রিহ্যাব সেন্টারে মৃত্যু যুবকের]

Advertisement

কলেজ জীবনে বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে প্রথম সিগারেটে সুখটান। পরবর্তী জীবনে ‘চেন স্মোকার’ হয়ে যান অনেকেই। কিন্তু, চেনা এই ছকের বাইরেও তো আরও কত ধরনের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে মানুষ! মদ, গাঁজা, ড্রাগস বাদ যায় না কিছুই। অল্প বয়সে নেশার কবলে পড়ে অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে তরুণ-তরুণীরা। শহরে জুড়ে রমরমিয়ে চলছে মাদকের চোরা কারবার। দিন কয়েক আগে মধ্য কলকাতার বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট থেকে ২ জন মহিলা মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করেছিল কলকাতা পুলিশের নারকোটিক সেল। কিন্তু, ঘটনা হল, দীর্ঘদিনের নেশা ছেড়ে দেওয়াও তো সহজ ব্যাপার নয়। স্রেফ মনের জোরে হয়তো ধুমপান কিংবা মদ্যপান ছেড়ে থাকা সম্ভব। কিন্তু, ড্রাগস বা অন্য নেশা ছাড়তে নেশামুক্তি কেন্দ্রের দ্বারস্থ হন আসক্তরা। জানা গিয়েছে, মাস তিনেক আগে নেশা ছাড়তে বেহালার সুরক্ষা ফাউন্ডেশন নামে একটি নেশামুক্তি কেন্দ্রে গিয়েছিল বছর পনেরোর এক কিশোরী। চিকিৎসায় সে কোনও উপকার পেয়েছিল  কিংবা আদৌও তার চিকিৎসা হয়েছিল কিনা, জানা নেই। তবে তিন মাস ধরে ওই কিশোরীকে সংস্থার মালিক ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ। বুধবার রাতে বাড়ি থেকে সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের মালিক সঞ্জয় পালকে গ্রেপ্তার করেছে বেহালার মুচিপাড়া থানার পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

[শিয়ালদহে বিগ বাজারে আগুন আতঙ্ক, এলাকায় চাঞ্চল্য]

দিন কয়েক আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে জীবনজ্যোতি রিহ্যাব সেন্টারে এক যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল। পরিবারের লোকের অভিযোগ, নেশা ছাড়ানোর নামে ওই যুবককে মারধর করতেন রিহ্যাব সেন্টারের কর্মীরা। মারধরের কারণেই মারা গিয়েছেন তিনি। এমনকী, মৃতের পরিবারকে টাকা দিয়ে সোনারপুরে জীবনজ্যোতি রিহ্যাব সেন্টার কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে বলেও অভিযোগ। ঘটনার তদন্ত করছে সোনারপুর থানার পুলিশ।

[ইছাপুরের অস্ত্র পাচার হয় ছত্তিশগড়েও, চাঞ্চল্যকর তথ্য পেল এসটিএফ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.