Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
CDS

সেনা অভ্যুত্থানের ভয়েই এতদিন নিয়োগ করা হয়নি CDS, দাবি প্রাক্তন সেনাপ্রধানের

বুধবার ফোর্ট উইলিয়ামে জানান জেনারেল শংকর রায়চৌধুরি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২০, ২১:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২০, ২১:০২

options
link
সেনা অভ্যুত্থানের ভয়েই এতদিন নিয়োগ করা হয়নি CDS, দাবি প্রাক্তন সেনাপ্রধানের zoom
বিপিন রাওয়াত
Advertisement

অর্ণব আইচ: সেনা অভ্যুত্থানের ভয়েই এতদিন দেশে নিয়োগ করা হয়নি ‘চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ’। কোন বাহিনীর কতটা কী প্রয়োজন, তা ঠিক করতে হবে ‘সিডিএস’কেই। তাই তাঁকে যথেষ্ট চাপে থাকতে হবে। বুধবার ফোর্ট উইলিয়ামে এই কথা জানান দেশের প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল শংকর রায়চৌধুরি। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ‘সিডিএস’ বা সেনা সর্বাধিনায়ক পদের অধিকারী হয়েছেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত।

ইন্দো-প্রশান্ত অঞ্চলে শান্তি ও স্থায়িত্ব নিয়ে কলকাতায় আলোচনা সভার আয়োজন করেছে প্রাক্তন সেনাকর্তাদের সংস্থা ‘দ্য রিসার্চ সেন্টার ফর ইস্টার্ন অ্যান্ড নর্থ ইস্টার্ন রিজিওনাল স্টাডিজ কলকাতা।’ এই আলোচনা সভার আগে ফোর্ট উইলিয়ামে একটি বৈঠকে প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল শংকর রায়চৌধুরি জানান, বহু বছর ধরেই দেশে একজন সেনা সর্বাধিনায়ক বা ‘সিডিএস’ নিয়োগ করার কথা ভাবা হচ্ছিল। কিন্তু একটা সময়ে মনে করা হয় যে, সেনা সর্বাধিনায়ক নিয়োগ করা মানে বায়ুসেনা, সেনাবাহিনী ও নৌসেনা এক সুতোয় যুক্ত করা। কারণ, তিনি তিন বাহিনীরই মাথায় থাকবেন। এভাবে তিন বাহিনী যদি একজোট হয়ে যায়, তবে দেশে সেনা অভ্যুত্থান হতে পারে। তাই এতদিন ‘সিডিএস’ নিয়োগ করা হয়নি। সম্প্রতি এই ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে তৈরি করা হয়েছে এই পদ। সেনা সর্বাধিনায়ককেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, কোন বাহিনীর বরাদ্দ কী হবে। দেশের সুরক্ষার জন্য কোন জিনিসটি বেশি প্রয়োজন, সেই কথা মাথায় রেখেই তাঁকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ফলে তিনি যথেষ্ট চাপে থাকবেন।

Advertisement

এদিন জেনারেল শংকর রায়চৌধুরি জানান, দেশে ধর্মের বিভেদ চলছে। কিন্তু দেশের মানুষকে অবশ্যই ধর্মনিরপেক্ষ থাকতে হবে। সিএএ ও এনআরসি প্রসঙ্গে প্রাক্তন সেনাপ্রধান জানান, সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সুবেদার সানাউল্লাহ ৩০ বছর ধরে বাহিনীতে ছিলেন। তিনি কারগিলে যুদ্ধও করেছেন। যখন তিনি সেনাবাহিনীতে নিয়োগ হন, তখন নিশ্চয়ই তাঁর কাছে পর্যাপ্ত নথি ছিল, যাতে প্রমাণিত হয়েছিল তিনি এই দেশের নাগরিক। অথচ অসমে তাঁকেই ‘বিদেশি’ বলে প্রতিপন্ন করা হয়। প্রাক্তন সেনাকর্তাদের মতে, সুবেদার সানাউল্লাহের মতো আরও অনেক সেনাকর্মীই এই একই সমস্যায় পড়েছেন। সিএএ নিয়ে একেকটি রাজ্যে একেক রকম কারণে গোলমাল হয়েছে। মেজর জেনারেল অরুণ রয় জানান, তরুণ প্রজন্মকে বুঝতে হবে, তারা সমাজের জন্য কী কী করতে পারে। সেনাকর্তারা জানান, দেশে তেল ও গ্যাসের দাম বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে জাপান পর্যন্ত ইন্দো-প্রশান্ত রুট ধরে পৌঁছচ্ছে গ্যাস ও তেল। মাঝখানে রয়েছে ভারত। তাই এই বিষয়টিও খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন সেনাকর্তারা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.