Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬

সুজেট স্মৃতি উসকে ফের পার্ক স্ট্রিটে হেনস্তার শিকার মহিলা

নির্যাতিতাকে মদ্যপ যুবকদের হাত থেকে উদ্ধার করেন নাইটক্লাবের বাউন্সাররা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০১৭, ১৪:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০১৭, ১৪:২৯

options
link
সুজেট স্মৃতি উসকে ফের পার্ক স্ট্রিটে হেনস্তার শিকার মহিলা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কলকাতার পার্ক স্ট্রিটের মতো এলাকায় মদ্যপ যুবকদের হাতে ধর্ষিত হতে হয়েছিল সুজেটকে। সেই স্মৃতি ফের উসকে দিল পার্ক স্ট্রিটের রবিবারের ঘটনা। চার-পাঁচজন মদ্যপ যুবকের হাতে হেনস্তা হতে হল এক মহিলাকে। তাও আবার স্বামীর চোখের সামনেই।

রবিবার জনবহুল পার্ক স্ট্রিটের একটি নাইটক্লাবে স্বামীর সামনেই মদ্যপ যুবকদের লালসার শিকার হলেন ওই মহিলা। স্বামী বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাঁকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। শেষে নির্যাতিতাকে ওই মদ্যপ যুবকদের হাত থেকে উদ্ধার করেন নাইটক্লাবের বাউন্সাররা।

Advertisement

[‘আজাদি’ চাইলে স্কলারশিপ ছাড়ুক যাদবপুরের পড়ুয়ারা, তোপ রূপার]

পুলিশের কাছে মহিলা জানান, “স্বামীর সঙ্গে একটি নাইটক্লাবে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে পার্ক স্ট্রিটের আরেক নাইটক্লাবে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে যাই। বন্ধুদের খোঁজার সময়ই চার-পাঁচজন মদ্যপ যুবক আমাদের দিকে এগিয়ে আসে। আমাকে ও স্বামীকে ঘিরে ধরে তারা। বেশ কর্কষভাবে জানতে চায়, আমরা তাদের ডেরায় কীভাবে ঢুকলাম? তাদের সঙ্গে যথেষ্ট ভালভাবে কথা বলার চেষ্টা করি আমরা। কিন্তু ওরা মদ্যপ অবস্থায় ছিল বলে কোনও কিছুই বোঝেনি। এমন সময় তিনজন আমায় জোর করে মেঝেতে ফেলে দিয়ে সারা শরীরে হাত দিতে শুরু করে। স্বামী বাঁচানোর চেষ্টা করলে তাঁকেও মারধর করা হয়। গোটা ঘটনা দেখেও কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেনি। শেষমেশ নাইটক্লাবের বাউন্সাররা এসে আমার সম্মানরক্ষা করে।”

[জঙ্গিদের হাতে ল্যাপটপ বোমা, সতর্ক হচ্ছে কলকাতা বিমানবন্দরও]

শেক্সপিয়র সরণি থানায় ওই যুবকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন দম্পতি। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মহিলা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই তাঁর কাছে অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য বেশ কিছু ফোনও এসেছে। তিনি বলেন, “অনেকেই আমায় এসব ঝামেলায় জড়াতে নিষেধ করছেন। কিন্তু আমি নিজের অবস্থানে অনড়। আমাকে যারা চূড়ান্ত হেনস্তা করেছে, তাদের ক্ষমা করা কি সম্ভব? ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয়, সেই কারণে এই লড়াই চালিয়ে যেতে চান মহিলা।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.