Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Shankar

কেওড়াতলা মহাশ্মশানেই হবে দাহকাজ, উইলে শেষকৃত্যের একাধিক নির্দেশ দিয়ে যান শংকর

শুক্রবার ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন বর্ষীয়ান সাহিত্যিক।

গৌতম ব্রহ্ম
গৌতম ব্রহ্ম

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৭:৫৮

link
গৌতম ব্রহ্ম
গৌতম ব্রহ্ম

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৭:৫৮

options
link
কেওড়াতলা মহাশ্মশানেই হবে দাহকাজ, উইলে শেষকৃত্যের একাধিক নির্দেশ দিয়ে যান শংকর zoom
Advertisement

শুক্রবার বেলা গড়াতেই দুঃসংবাদ ভেসে এল সাহিত্য-সংস্কৃতির আঙিনায়! ৯২ বছর বয়সে অমৃতলোকে পাড়ি দিয়েছেন কিংবদন্তি সাহিত্যিক শংকর। যাঁর আসল নাম মণিশংকর মুখোপাধ্যায়। শুক্রবার এক বেসরকারি হাসপাতালে বেলা পৌনে ১টা নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর। প্রয়াত সাহিত্যিকের ছোট মেয়ে তনয়া ব্রিটেনের কার্ডিফের বাসিন্দা হলেও এই মুহূর্তে তিনি রয়েছেন কলকাতাতেই। তাঁর উপস্থিতিতে এদিনই কেওড়াতলা মহাশ্মশানেই শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বর্ষীয়ান সাহিত্যিকের। জানা গিয়েছে, উইলে শংকরের স্পষ্ট নির্দেশ ছিল যেন তাঁর দেহ যেন ঠান্ডা ঘরে না রাখা হয়। সেই ইচ্ছেকেই মান্যতা দিতে আমেরিকাবাসী বড় মেয়ে কলকাতায় আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা হচ্ছে না।

কেবল এই একটিই নির্দেশ নয়, তাঁর উইলে আরও বহু ইচ্ছের কথা জানিয়ে গিয়েছেন শংকর। ২০২৩ সালে উনি একটি উইল করেন। যেখানে দে’জ পাবলিশিংয়ের কর্ণধার সুধাংশুশেখর দে-কে ‘কাস্টডিয়ান’ করে গিয়েছিলেন। সেই উইলে একটা গোটা প্যারাগ্রাফ ছিল, যেখানে পরিষ্কার নির্দেশ ছিল তাঁর মৃত্যুর পরে কী কী করতে হবে। তিনি জানিয়েছিলেন, স্ত্রী ও মায়ের মতোই তাঁর অন্ত্যেষ্টি করতে হবে ক্যাওড়াতলা মহাশ্মশানেই। যদি হাসপাতালে মৃত্যু হয় সেক্ষেত্রে সেখান থেকে দেহ নিয়ে যেতে হবে বন্ডেল রোডের বাড়িতে। সেখান থেকে সরাসরি শ্মশান। ওঁর কর্মস্থল, রবীন্দ্রসদন কিংবা অন্য কোথাও দেহ শায়িত রাখা যাবে না। এমনকী এও শংকর জানিয়ে গিয়েছিলেন, অনাবশ্যক কোনও কিছু যেন না চাপানো হয় তাঁর নিথর শরীরের উপরে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
নিজস্ব চিত্র

শংকরের সুস্পষ্ট নির্দেশ ছিল, যদি ওঁর মৃত্যুর সময় কোনও মেয়েই এদেশে না থাকেন, তাহলেও যেন দেহ ঠান্ডাঘরে না রাখা হয়। মৃত্যুর দিনই যেন দেহ দাহ করা হয়। এই মুহূর্তে তাঁর ছোট মেয়ে তনয়া এখানে রয়েছেন। বড় মেয়ে ২২ তারিখে আসবেন। উইল মেনেই ঠান্ডা ঘরে রাখা হবে না দেহ। আজই হবে শেষকৃত্য। শংকর জানিয়ে গিয়েছিলেন, মৃত্যুসংবাদ আত্মীয়স্বজনদের নিশ্চয়ই দেওয়া হবে। তবে কারও জন্য অপেক্ষা করা হবে না। সমস্ত নির্দেশই মেনে চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাঁর পরিবার।

জানা গিয়েছে, গত ৩০ ডিসেম্বর খাট থেকে নামতে গিয়ে পড়ে যান শংকর। কোমরের হাড় ভাঙে। করতে হয় অপারেশেন। যদিও তা সফল হয়, তবু এরপর থেকেই শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিতে তাকে। বারবারই ভর্তি হতে হচ্ছিল হাসপাতালে। সম্প্রতি তাঁর মাথায় একটি টিউমার দেখতে পান চিকিৎসকরা। কিন্তু অপারেশন করা যায়নি। বয়সের দিকটি বিবেচনা করার পাশাপাশি সদ্য হওয়া অপারেশনের কথা ভেবেই বাড়ির লোক আরও একবার শল্য চিকিৎসায় রাজি হননি। অবশেষে শুক্রবার ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হলেন তিনি। উইলে তিনি এও জানিয়ে দিয়েছিলেন, যেন তাঁকে ভেন্টিলেশনে না দেওয়া হয়। সেই ইচ্ছেকেও মান্যতা দেওয়া হয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.