Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Manik Bhattacharya

মা মুক্তি পেতেই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জামিনের আবেদন মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের

দিন কয়েক আগেই জামিন পেয়েছেন মানিকের স্ত্রী শতরূপা ভট্টাচার্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৩, ১৫:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৩, ১৫:৪৮

options
link
মা মুক্তি পেতেই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জামিনের আবেদন মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের zoom

গোবিন্দ রায়: মা ইতিমধ্যেই জামিন পেয়েছেন। এবার জামিনের আবেদন নিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya) ছেলে সৌভিক ভট্টাচার্য। আগামী ৩০ আগস্ট এই মামলার শুনানির দিন ধার্য করেছেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ (Tirthankar Ghosh)।

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তভার নেওয়ার পরই ইডি’র স্ক্যানারে আসেন তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য। একাধিকবার তলবের পর গত বছরের ১১ অক্টোবর ইডি’র হাতে গ্রেপ্তার হন তিনি। তারপর মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রী শতরূপা এবং ছেলে সৌভিক ভট্টাচার্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইডির (ED) অভিযোগ ছিল, বেনামি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে নিয়োগ দুর্নীতির টাকা ঘুরপথে গিয়েছে মানিকের ছেলের অ্যাকাউন্টে। সৌভিকের ছেলের নামে বহু স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি আছে, যা নিয়োগ দুর্নীতির টাকায় কেনা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অটলবিহারী বাজপেয়ীর প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির]

সৌভিকের (Souvik Bhattacharya) মতো এই একই অভিযোগ ছিল তাঁর মা তথা মানিকের স্ত্রী শতরূপা ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধেও। কিন্তু তিনি সদ্যই এই মামলায় জামিন পেয়েছেন। দিন কয়েক আগেই মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রী শতরূপাকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দিয়েছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। এমনকী বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ ইডি’র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

[আরও পড়ুন: হয়নি গোলা বর্ষণ, শেষ আড়াই বছর শান্ত পাক সীমান্ত, তবু সতর্ক ভারত]

শতরূপা ভট্টাচার্যর মামলায় বিচারপতি মন্তব্য করেন,”কারও কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন এমন প্রমাণ ইডি’র কাছে নেই। শতরূপা ভট্টাচার্য পালিয়ে যেতে পারেন এবং নথি বিকৃত করতে পারেন এই মর্মে আশঙ্কাও প্রকাশ করেনি ইডি। ৭ জানুয়ারি প্রথম যখন জামিনের আরজি জানান তখন তাঁকে জামিন দিয়ে দেওয়া উচিত ছিল। স্পেশ্যাল কোর্টের (Special Court) পদ্ধতি খুব বিরক্তিকর। তাঁকে (শতরূপা ভট্টাচার্য) আর হেফাজতে রাখার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।” মায়ের করা মামলায় বিচারপতির এই পর্যবেক্ষণের প্রেক্ষিতে সৌভিকের জামিনের আবেদন বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.