৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

“গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকে প্রশ্রয় নয়, সিপিএমকে একটি আসনও নয়”

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 5, 2016 9:10 am|    Updated: June 5, 2016 9:10 am

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: দলে হারের কারণ পর্যালোচনার পাশাপাশি পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে সংগঠনকে মজবুত করার বার্তা দিল তৃণমূল নেতৃত্ব৷ শনিবার মূলত উত্তর ও দক্ষিণ দুই ২৪ পরগনার জেলা নেতৃত্ব কর্মিসভা করে৷ দুই জেলা নেতৃত্বই দলীয় স্তরে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, যেখানে দল হেরেছে সেখানে হারের কারণ খুঁজে দ্রুত সংগঠনের হাল ধরতে হবে৷
কিছুদিন আগেই হারের কারণ খুঁজতে অন্তর্ঘাতের অভিযোগ নিয়ে বৈঠকে বসেছিল রাজ্য নেতৃত্ব৷ সেখানেই নির্দেশ দেওয়া হয়, এবার জেলা স্তরে এই বৈঠক হবে৷ তার ভিত্তিতে রিপোর্ট জমা পড়বে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে৷ এদিন তেমনই বৈঠক সারে দুই জেলা নেতৃত্ব৷ জানানো হয়, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার জন্য ব্যবস্থাও নেবে দল৷ একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, পঞ্চায়েত নির্বাচনে যাতে বিরোধীরা কোনওভাবে জায়গা না পায়, তার জন্য অবিলম্বে লড়াইয়ের প্রস্তুতি শুরু করে দিতে হবে৷
সদ্য বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী নতুন তৃণমূলের সরকার প্রশাসনের পাশাপাশি দলীয় সংগঠনও ঢেলে সাজানোর কাজ শুরু করেছে৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনা জুড়ে বিভিন্ন স্তরে অসংখ্য সিপিএম কর্মী তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন৷ জেলার সভাপতি মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়ের স্পষ্ট বার্তা, যাঁরা দলে আসছেন, তাঁদের স্বাগত৷ বেহালার নব নির্মিত কমিউনিটি হলে এদিন এই বৈঠক সারেন জেলা সভাপতি৷ ছিলেন রেজ্জাক মোল্লা-সহ নব নির্বাচিত অন্য বিধায়করাও৷ দলীয় নেতা-কর্মীদের শোভন বলেন, “দলের মধ্যে কোনওরকম গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বা কোন্দলকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না৷ পঞ্চায়েত ভোটে একজোট হয়ে লড়াইয়ে নামতে হবে৷ সিপিএম যেন একটি আসনও না পায়৷” দলে তোলাবাজি রুখতেও নির্দেশ দিয়েছেন বরিষ্ঠ নেতা মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লা৷
উত্তর ২৪ পরগনায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আসনে দল হেরেছে৷ তার মধ্যে রয়েছে মদন মিত্র, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, উপেন বিশ্বাসের মতো তিন প্রাক্তন মন্ত্রীর আসন৷ এই তিন আসনে কেন হার হয়েছে, তার কারণ পর্যালোচনার জন্য স্থানীয় নেতৃত্বর সঙ্গে প্রাক্তন মন্ত্রীদের পৃথক বৈঠকে বসার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা সভাপতি মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক৷ একটি কোর টিম তৈরি করা হয়েছে৷ ভোট পরবর্তী গোলমালের খবর পেলেই সেখানে যাবে এই টিম৷ কর্মীদের কাছে শান্তি বজায় রাখার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি প্ররোচনা এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ হেরে যাওয়া আসনে ওয়ার্ড ধরে ধরে কর্মসূচি নিতে হবে৷ করতে হবে ছোট সভা, স্ট্রিট কর্নার৷ পাঁচ মাসের মধ্যে সংগঠনের কেমন উন্নয়ন হয়েছে, তার রিপোর্ট চেয়েছেন জেলা সভাপতি৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement