Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
The Income Tax and Recreation Club

আর্থিক সাহায্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন, পিছিয়ে পড়াদের পাশে দি ইনকাম ট্যাক্স স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাব

দু'টি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৫, ১৪:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৫, ১৪:৩২

options
link
আর্থিক সাহায্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন, পিছিয়ে পড়াদের পাশে দি ইনকাম ট্যাক্স স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাব zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশেষভাবে সক্ষম এবং পথশিশুদের পাশে দি ইনকাম ট্যাক্স স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাব, ওয়েস্ট বেঙ্গল। “সকলের পাশে, সকলের সাথে” এই মন্ত্রেই ভর করে এগোচ্ছে দি ইনকাম ট্যাক্স স্পোর্টস এন্ড রিক্রিয়েশন ক্লাব, ওয়েস্ট বেঙ্গল। ৮১ তম বার্ষিক সাংস্কৃতিক উৎসবে সমাজের পিছিয়ে পড়াদের নিয়ে কাজ করা দু’টি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। অংশ নেন বলিউডের জনপ্রিয় শিল্পী পলক মুচ্ছল ও পলাশ মুচ্ছল।

Programme

Advertisement

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রিন্সিপাল চিফ কমিশনার অফ ইনকাম ট্যাক্স, ওয়েস্ট বেঙ্গল এবং সিকিম রিজিয়ন ও ক্লাবের মুখ্য পৃষ্ঠপোষক শ্রীমতী সুরভী বর্মা গর্গ। তিনি প্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। ক্লাবের পক্ষ থেকে সভাপতি ভিক্রান্ত পাল সিং, আইআরএস আর্থিক সাহায্য তুলে দেন দমদমের নিহারকনা রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারের অধিকর্তা কান্তা চক্রবর্তীর হাতে। ওই ক্লাবটি পথশিশুদের শিক্ষা ও পুনর্বাসনে নিরলস কাজ করছে। এছাড়া আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয় কেষ্টপুর রবীন্দ্রপল্লি সংবেদনের অধিকর্তা সমীত সাহাকে। এই সংস্থাটি বিশেষভাবে সক্ষম শিশুদের নিয়ে কাজ করে। সুরভী বর্মা গর্গ বলেন, “সমাজের প্রতি তাঁদের দীর্ঘ লড়াই ও মানবিকতার প্রতি নিবেদিত মননের এক গর্বিত স্বীকৃতি এই পুরস্কার।”

Programmeসাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। বলিউডের জনপ্রিয় শিল্পী পলক মুচ্ছল ও পলাশ মুচ্ছল তাঁদের সুরের জাদুতে মঞ্চ মাতিয়ে তোলেন।

Programme

তবে শুধু বিনোদন নয়, সামাজিক দায়িত্বের বহিঃপ্রকাশই হল উৎসবের মুখ্য উদ্দেশ্য। অবহেলিত শিশুর মুখে হাসি ফোটানো, প্রতিবন্ধকতার অন্ধকার ভেদ করে আশার আলো ছড়ানো এসবই প্রমাণ করে যে প্রকৃত উৎসব তখনই সম্পূর্ণ হয়, যখন তা সমাজের প্রতিটা স্তরের মানুষের জন্যে কিছু করা যায়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.